1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গরু জবাই নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াল থালাপতির সরকার বিএনপি নেতার ‘ত্রাস’: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল, নিয়োগ বাণিজ্য ও বালুমহাল নিয়ন্ত্রণের মহোৎসব! গণভোট না মানার কারণে রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান ১৬০ কেজি গাঁজা জব্দ করে বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর ওসিকে প্রত্যাহার ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর না খুললে জনগণই সেটা খুলে দেবে: নাহিদ ইসলাম ‘নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না’: জামায়াতে আমির যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের প্রতিনিধি দল মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ

‘চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না’: রনি

Desk report
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না।’

সম্প্রতি তিনতন্ত্রের ফেসবুক পেজে এক ভিডিওতে তিনি এ কথা বলেন। গোলাম মাওলা রনি বলেন, ‘আপানারা জানেন যে সরকার চাঁদাবাজির ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে আছে। ইতিমধ্যে নাকি সারা দেশে সাড়ে চার হাজার শীর্ষ চাঁদাবাজকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

তাদের খুব দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে। তারা গোয়েন্দা নজরদারিতে আছেন এবং তাদের টার্গেট করে ধরা হবে—এ রকম প্রচার পুলিশ ও র‌্যাবের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। এ ধরনের আলাপ হলে আপনি ধরে নিতে পারেন যে তাদের সে রকম কিছুই হয়নি।’ তিনি বলেন, লোক দেখানো হয়তো সাড়ে চার হাজার চাঁদাবাজের মধ্যে সাড়ে চার ডজন বা সাড়ে চার হালি তারা ধরতে পারবে।

আবার তারা বের হয়ে আসবে। এই রাজনীতিবিদ বলেন, যারা জেলে কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের দেখেছেন, তারা জানেন যে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের নেটওয়ার্ক এরকম একটা শক্তি অবস্থায় আছে যে চাঁদাবাজরা কলকাতাতে থাকুক, সন্ত্রাসীরা দুবাইতে থাকুক, কিংবা জেলখানাতে থাকুক—ডাজ নাট ম্যাটার। তাদের যদি সিস্টেমটা চালু থাকে তাহলে তারা যেকোনো জায়গায় বসে এই চাঁদাবাজি করতে পারবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি একজন ডাকার শফিক, টোকাই সাগর, একজন মুরগি মিলন, একজন কালা জাহাঙ্গীর—তারা দৃশ্যপটে না থেকেও সারা বাংলাদেশকে তছনছ করে ছেড়েছে।

একজন সুইডেন আসলাম, একজন সুব্রত বাইন দীর্ঘদিন পুলিশের হেফাজতে থেকেছে, দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছে, কিন্তু এটা কোনো মিন করেনি। সমাজের কোনো উন্নয়ন হয়নি। তারা তাদের কাজগুলো করেছে। তিনি আরো বলেন, ‘আবার ধরুন শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান থেকে শুরু করে অন্য যাদের নাম শুনতে পেরেছি, আমরা এদের কখনো ব্যাংককে দেখেছি, কখনো দুবাইতে। কিন্তু বাংলাদেশে তাদের সিন্ডিকেশনটা বন্ধ হয়নি।

সেই অর্থে এখন এই নতুন সরকারের আমলে অতীতের চাঁদাবাজির যে সিন্ডিকেট ছিল, তার সবগুলো এখনো আছে।’ এই সাবেক সংসদ সদস্য বলেন, ‘চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের সঙ্গে আশির দশক, নব্বইয়ের দশকের রাজনীতিবিদদের আসলে সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু ২০০১ থেকে এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডনদের একটা পলিটিক্যাল কানেক্টিভিটি চলে আসে। রাজনীতিবিদরা একে অপরদের বিরুদ্ধে এই সিন্ডিকেটকে ব্যবহার করতে শুরু করে। ফলে আমরা কখনো কখনো সেভেন স্টার গ্যাং, কখনো আমরা ফাইভ স্টার গ্যাংদের দেখেছি। এখন সেই গ্যাংগুলো সক্রিয় আছে। তাদের অনেকগুলো আস্তানা ঢাকা শহরে রয়েছে। কখনো তারা টঙ্গী, কখনো উত্তরা, কখনো মোহাম্মদপুর, কখনো সায়েদাবাদ, কখনো গুলশানের বিভিন্ন এলাকাকে কেন্দ্র করে তাদের সাম্রাজ্যের হেডকোয়ার্টার স্থাপন করে বসে।’

তিনি বলেন, ‘এই চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট ইউনূস জামানাতে যখন নতুন করে হাত বদল হলো, আওয়ামী লীগের হাত থেকে নতুন হাতে আসল, তখন সেখানে অনেকেই জড়িয়ে গেল। সেখানে আওয়ামী লীগ যারা ছিল, তাদের দ্বিতীয়-তৃতীয় সারির লোকজন ছিল, তার সঙ্গে সঙ্গে আবার নতুন রাজনীতির সঙ্গে নতুন মাস্তান বিদেশ থেকে চলে এলো, জেল থেকে বের হয়ে এলো, ফলে এটা চাঁদাবাজের এটা স্বর্গরাজ্য পরিণত হয়ে গেল এবং সেটি বর্তমান জামানাতে এসে নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে।’

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com