1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয় ইরান’ সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান

রৌমারীতে আইসিটি শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও ইউএনও বরাবর লিখিত আবেদন

আশরাফুল ইসলাম মোল্লা
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক আইসিটি শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) সকাল দিকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ জানায়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে লিখিত অভিযোগ প্রদান করে।

অভিযোগে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করে, অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ হুমায়ুন কবির দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত ক্লাস নেন না। ফলে নির্ধারিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং আইসিটি বিষয়ের ওপর শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি দুর্বল হয়ে পড়ছে।

এছাড়াও, তারা অভিযোগ করেন—শিক্ষকের আচরণ প্রায়ই অশোভন ও অসৌজন্যমূলক, যা শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে প্রভাবিত করছে এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করছে।

শিক্ষার্থীরা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে অপসারণের দাবি জানিয়েছে।

এদিকে, স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com