1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীরা কষ্টে থাকলে দেশও ঝুঁকিতে পড়বে : জামায়াত আমির হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী জাহাজ থেকে প্রথমবার টোল আদায় করল ইরান সেই বিচারপতি মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল সেই বিচারপতি মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি হরমুজে সাবমেরিন ইন্টারনেট ক্যাবল নিয়ে সতর্ক বার্তা ইরানের মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব বরখাস্ত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ নলডাঙ্গায় নশরৎপুরে অগ্নিকাণ্ডে ভূমিভূত বসতবাড়ি দিশেহারা কৃষক পরিবার লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, অচল জেনারেটরে চরম ভোগান্তি—পরিদর্শনে প্রতিনিধি দল

কাঠালিয়ায় লোহার পুল ভেঙে খালে, দুই ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

মোঃ ফয়সাল আহম্মদ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় লেবুবুনিয়া খালের ওপর নির্মিত একটি লোহার পুল ভেঙে খালে পড়ে যাওয়ায় দুই ইউনিয়নের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এখন এই দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হয়।
জানা গেছে, উপজেলার কাঠালিয়া সদর ইউনিয়নের আমরিবুনিয়া গ্রামের মায়ারাম হিন্দু পাড়ায় অবস্থিত লেবুবুনিয়া খালের ওপর নির্মিত সংযোগকারী লোহার পুলটি রবিবার (১৯ এপ্রিল) হঠাৎ ভেঙে পড়ে। পুলটি আমরিবুনিয়া ৮নং ওয়ার্ড (মায়ারাম) ও আমুয়া ইউনিয়নের বাশবুনিয়া ৯নং ওয়ার্ডের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ স্থাপন করত।
পুলটি ভেঙে যাওয়ার ফলে আমরিবুনিয়া, মশাবুনিয়া, চিংড়াখালীসহ কাঠালিয়া সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা এবং আমুয়া ইউনিয়নের বাশবুনিয়া, তালতলা ও ছোনাউটাসহ আশপাশের গ্রামের সাথে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। একই সঙ্গে খালপথে নৌযান চলাচলও বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুলটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। বারবার সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা বিপ্লব চন্দ্র মিস্ত্রি বলেন, “পুলটি ভেঙে যাওয়ায় আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। হাটবাজারে যাওয়া, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া এখন অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।”
গাছ ব্যবসায়ী সোনা মিয়া বলেন, “এই খালপথে নিয়মিত কাঠ পরিবহন করে ইনদেহাট বাজারে বিক্রি করতাম। পুলটি ভেঙে পড়ায় এখন আর সেই কার্যক্রম চালানো সম্ভব হচ্ছে না।”
এ বিষয়ে আমুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নকিরুল ইসলাম জানান, “ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত পুলটি অপসারণ করে নতুন একটি সেতু নির্মাণ করা হবে।”
কাঠালিয়া সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, “লোহার পুলটি দীর্ঘদিন ধরে নড়বড়ে অবস্থায় ছিল। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।”
স্থানীয়রা দ্রুত ভেঙে পড়া পুলটি অপসারণ, নতুন সেতু নির্মাণ এবং নৌপথ সচল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com