1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল সেই বিচারপতি মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি হরমুজে সাবমেরিন ইন্টারনেট ক্যাবল নিয়ে সতর্ক বার্তা ইরানের মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব বরখাস্ত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ নলডাঙ্গায় নশরৎপুরে অগ্নিকাণ্ডে ভূমিভূত বসতবাড়ি দিশেহারা কৃষক পরিবার লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, অচল জেনারেটরে চরম ভোগান্তি—পরিদর্শনে প্রতিনিধি দল পটুয়াখালীতে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ করতে জেলা প্রশান এর মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে প্রেমের টানে ধর্মান্তর: চাঁদপুরে চাঞ্চল্য নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে ৪ খুনের রহস্য উদঘাটন: সম্পত্তির লোভে ভাগনে-ভগ্নিপতির নৃশংস পরিকল্পনায় খুন

লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, অচল জেনারেটরে চরম ভোগান্তি—পরিদর্শনে প্রতিনিধি দল

মো: জাকির হোসেন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে
দেশজুড়ে চলমান তীব্র লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে হাসপাতালটির চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে হাসপাতালের নিজস্ব জেনারেটরটি দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে পুরো হাসপাতাল অন্ধকারে ডুবে যায়, এতে রোগীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
বিষয়টি স্থানীয় গণমানুষের নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের নজরে আসার পর তাঁর নির্দেশনায় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) একটি প্রতিনিধি দল হাসপাতালটি পরিদর্শন করে। অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলটি দেখতে পায়, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ের কারণে ওয়ার্ডে ভর্তি শিশু, বৃদ্ধ ও সাধারণ রোগীরা অসহনীয় কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্যান ও অন্যান্য জরুরি যন্ত্রপাতি বন্ধ থাকায় রোগীদের অবস্থার আরও অবনতি হচ্ছে।
এ সময় প্রতিনিধি দল হাসপাতালের টিএস ডা. আব্দুর রউফসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে। জেনারেটরটি কেন অচল রয়েছে এবং দ্রুত কীভাবে এটি সচল করা যায়, সে বিষয়ে জোর দাবি জানানো হয়। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। রোগীরা তাদের ভোগান্তি, অব্যবস্থাপনা এবং প্রয়োজনীয় সেবার ঘাটতির কথা তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সাধারণ মানুষের শেষ ভরসাস্থল। এই হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন ও সব ধরনের অনিয়ম দূর করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে দ্রুত জেনারেটর সচল করে বিদ্যুতের বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের সবচেয়ে জরুরি দাবি।
তারা আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে একটি মানসম্মত ও দৃষ্টান্তমূলক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com