1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি মানলে ইরানও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে: পেজেশকিয়ান ফুলবাড়ীতে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচার, উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ছয় মাসে ৩৩০ কোটি টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ, আটক ১৪০: বিজিবি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের গণমিছিলের ডাক লোডশেডিং ইস্যুতে গুজব নয়, ধৈর্য ও সচেতনতার আহ্বান; গৌরনদী পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ঈশ্বরদীতে শিক্ষক পেটানোর ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত গাছ লাগিয়ে জলবায়ু সুরক্ষার বার্তা দিল বাগেরহাটের শিক্ষার্থীরা ফরিদপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগ, স্ত্রী আটক

সালিশি চুক্তি ভেঙে দ্বন্দ্ব তীব্র—লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর পরিবারের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

মাহমুদুর রহমান মনজু
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৪২ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে স্থানীয়ভাবে সালিশি সিদ্ধান্ত ও লিখিত দলিল সম্পন্ন হওয়ার পরও তা অমান্য করে এক প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মিতু আক্তার তার প্রবাসী স্বামী মুরাদ হোসেনের প্রশ্রয় ও অর্থের প্রভাবে স্থানীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রতিপক্ষকে নানাভাবে হেনস্তা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী শাহ আলম ও তার পরিবার জানান, দীর্ঘদিনের জমি বিরোধ নিরসনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অ্যাডভোকেট জাফর আহমদসহ একাধিক সালিশদার দফায় দফায় বৈঠক করেন। ‘সালিশ নামা’ অনুযায়ী জমির পরিমাপ নির্ধারণ এবং চলাচলের জন্য ৯ ফুট রাস্তা রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়ে স্বাক্ষর করেন। দলিলে আরও উল্লেখ রয়েছে, উভয় পক্ষ নিজেদের দায়ের করা মামলা নিজ নিজ খরচে প্রত্যাহার করবে।
তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রবাসে অবস্থানরত মুরাদ হোসেনের অর্থনৈতিক প্রভাবের কারণে তার স্ত্রী মিতু আক্তার এখন সালিশি সিদ্ধান্ত মানতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। সর্বশেষ শাহ আলম তার নিজ জমিতে একটি ওয়াশরুম নির্মাণ শুরু করলে মিতু আক্তার জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ ফোন করে পুলিশ ডেকে এনে কাজ বন্ধ করে দেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে এবং নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট হওয়ায় তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
সালিশ নামার তথ্যমতে, প্রথম পক্ষ (মুরাদ হোসেন গং) এবং দ্বিতীয় পক্ষ (শাহ আলম) আপন চাচা-ভাতিজা। সালিশে প্রথম পক্ষের ৩ শতাংশ জমির মালিকানা নিশ্চিত করা হলেও তারা অতিরিক্ত জমির দাবি তুলে রাস্তা প্রসঙ্গে বাধা দিচ্ছেন এবং এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মিতু আক্তারের একগুঁয়ে আচরণ ও আইনি জটিলতা তৈরির প্রবণতায় সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং সামাজিক শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে।
ভুক্তভোগী শাহ আলম বলেন, “আমরা সালিশি সিদ্ধান্ত মেনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই। কিন্তু প্রবাস থেকে প্রভাব খাটিয়ে আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এই হয়রানি থেকে মুক্তি ও দ্রুত সমাধান চাই।”
অন্যদিকে, মিতু আক্তার ও তার স্বজনদের দাবি, তারা জমির ন্যায্য পাওনা দাবি করছেন বলেই বাধা দেওয়া হচ্ছে।
বর্তমানে ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ না নিলে বিরোধটি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com