1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজের নাম ট্রাম্প প্রণালি, প্রকাশ্যে এলো নতুন মানচিত্র নাহিদকে ‘আমার নেতা, বাংলাদেশের নেতা’ বললেন হাসনাত কারও সাহায্য না পেয়ে ২০ বছরের প্রচেষ্টায় নিজস্ব ট্যাংকের মালিক তুরস্ক ভোটের ময়দানে প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত থালাপতি বিজয় রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান

ভোটের ময়দানে প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত থালাপতি বিজয়

Desk report
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই রাজনৈতিক মহলের দৃষ্টি এখন বুথফেরত জরিপের দিকে। আর সেই জরিপেই সবচেয়ে আলোচিত নাম দক্ষিণী চলচ্চিত্র তারকা থালাপতি বিজয়। রাজনীতিতে প্রথমবার অংশ নিয়েই উল্লেখযোগ্য সাফল্যের সম্ভাবনা তৈরি করেছেন তিনি। বিভিন্ন জরিপে তার পক্ষে শক্তিশালী জনসমর্থনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যা তাকে এই নির্বাচনের অন্যতম চমক হিসেবে তুলে ধরেছে।

নিজের দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিজয়। তার প্রধান প্রতিপক্ষ ছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন। নির্বাচনের আগেই বিজয়ের জনসভায় বিপুল উপস্থিতি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি করে, যা বুথফেরত জরিপেও প্রতিফলিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই বিজয়ের দল প্রায় ৯৮ থেকে ১২০টি আসন পেতে পারে।

এই পূর্বাভাস বাস্তবায়িত হলে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে সব জরিপ একই চিত্র তুলে ধরছে না। কিছু সংস্থার মতে, ডিএমকে জোট ১২০ থেকে ১৪৫টি আসন পেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে। অন্যদিকে এআইএডিএমকে জোটের প্রাপ্তি হতে পারে ৬০ থেকে ৮০টি আসন।

কিছু জরিপে আবার বিজয়ের দলকে তুলনামূলক কম আসনও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে কামাখ্যা অ্যানালিটিক্সসহ কয়েকটি সংস্থা বিজয়কে সম্ভাব্য ‘কিংমেকার’ হিসেবেও দেখছে। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৬৭ থেকে ৮১টি আসন পেলেও সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে তার দল।

উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভোটার উপস্থিতি ছিল ৮২ শতাংশেরও বেশি, যা রাজ্যের নির্বাচনী আগ্রহের প্রতিফলন।

এখন দেখার বিষয়, বুথফেরত জরিপের এই পূর্বাভাস চূড়ান্ত ফলাফলে কতটা প্রতিফলিত হয়—এবং অভিষেক নির্বাচনে ইতিহাস গড়তে পারেন কি না থালাপতি বিজয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com