1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সফল মৎস্য চাষিদের মাঝে বিনা মূল্যে বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ পত্নীতলায় ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সিলেটে সীমিত পরিসরে পাথর উত্তোলনের চিন্তা, পরিবেশ সংরক্ষণে হচ্ছে কমিটি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‎পৈত্রিক জমি নিয়ে বিরোধ, নিরাপত্তাহীনতায় একটি অসহায় পরিবার ‘খাল খনন ছিল শহীদ জিয়ার এক বিপ্লব, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ফের শুরু এই কর্মসূচি’ পদত্যাগ করবেন না মমতা, পশ্চিমবঙ্গে জারি হচ্ছে রাষ্ট্রপতি শাসন? খাল সংকটে বছরে বছরে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাইল বিলের কৃষি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী বাজারের দক্ষিণ পাশে গোদারপাড়া এলাকায় বালুবাহী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে শান্তিরামের শান্তির প্রতীক সমাজসেবক হাছান আলী বাগেরহাটে কেনাবেচার বিরোধে দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা

শাপলার ঘটনাকে বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিতে দেখতে না পারার ব্যর্থতাই বিগত স্বৈরতন্ত্রের পাটাতন নির্মাণ করেছিলো -পীর সাহেব চরমোনাই

আনোয়ার হুসাইন
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই ৫ মে ঐতিহাসিক শাপলা দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, ২০১৩ সালের ৫-মে ঢাকায় যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছিলো তা আধুনিক জাতিরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক বর্বরোচিত ও কলংকময় অধ্যায়। নিজ দেশের নিরস্ত্র নাগরিকদের স্বশস্ত্র অভিযান চালানোর নজীর ইতিহাসে বিরল। সেদিন যারা শাপলা চত্তরে রাত্রিযাপন করেছিলো তাদের অধিকাংশই অল্পবয়সি ছাত্র, যাদের সাথে কোন ধরণের অস্ত্র ছিলো না, যাদের অপরাধের কোন পূর্ব নজীরও ছিলো না। তেমন একদল শিক্ষার্থীদের ওপরে রাষ্ট্রের পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী সামরিক অভিযানের মতো করে যেভাবে হামলে পড়েছিলো তার দৃষ্টান্ত অভিশপ্ত ইজরাইলী বাহিনীর অভিযান ছাড়া আর কোথাও পাওয়া যাবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ইসলাম, মাদ্রাসা ও ইসলামপন্থার ওপরে চরম বিদ্বেষ ও জিঘাংশা থেকে সেই অভিযান পরিচালনা করেছিলো। সেই বিভৎস হত্যাকাণ্ডের পরেই আওয়ামী লীগের স্বৈরতন্ত্রের শেকড় আরো গভীরে প্রোথিত হয় যার পরিনাম জাতিকে বহন করতে হয়েছে আরো এগারো বছর। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বহু নেতাকর্মী সেই বর্বরতার শিকার হয়েছে। আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে সেই হত্যাকাণ্ডের নির্মোহ তদন্ত করতে হবে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। যাতে আর কোন স্বৈরাচার নিজ দেশের নাগরিকদের সাথে এমন নৃশংসতা করতে না পারে।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ২০১৩ সালের পাঁচ-মের পরে দেশের রাজনৈতিক সংগঠন, বুদ্ধিজীবি, সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও পুনরায় বিচার-বিশ্লেষণ করা জরুরী। সরকারকে বুদ্ধিজীবি শ্রেণী ও রাষ্ট্রের ৫ম স্তম্ভ গণমাধ্যমের থেকেও কোন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় নাই; বরং বৈধতা উৎপাদন করা হয়েছে। রাষ্ট্রের সেই বর্বরতাও কেবল আদর্শিক মতভিন্নতার কারণে এক ধরণের বৈধতা পেয়েছিলো। ইসলামী আন্দোলন মনে করে, যে কোন ঘটনাকে বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিতে দেখতে না পারার ব্যর্থতাই বিগত স্বৈরতন্ত্রের পাটাতন নির্মাণ করেছিলো।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর দাবী করে বলেন, শাপলায় যারা শাহাদাৎবরণ করেছেন এবং আহত হয়েছেন তাদেরকে জাতীয় বীরের স্বীকৃতি দিয়ে তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শাপলাকেন্দ্রীক মামলাগুলো প্রত্যাহার করে মামলায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শাপলা হত্যাকাণ্ডের প্রতি ঘৃণা ও প্রতিবাদ জাগরূক রাখতে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিনকে স্বরণ করতে হবে।

 

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com