1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বর্জ্য অপসারণে গাফিলতি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই সিটির দুই কর্মকর্তা প্রত্যাহার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কোরবানি হচ্ছে না ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ হামের উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু ২০৫০ সালের মধ্যে শতভাগ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব জাতীয় ঈদগাহে ৪-৬ স্তরের নিরাপত্তা বলয়, ১৫ হাজার পুলিশ মোতায়েন ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের দুঃখ প্রকাশ ইজারা নয়, বৃষ্টিতে মেট্রো স্টেশনের নিচে আশ্রয় নিয়েছিলেন পশুর মালিকরা: মীর শাহে আলম উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি হলে কঠোর ব্যবস্থা: মির্জা ফখরুল বৃষ্টি হলে ঈদের প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররমে যুদ্ধের দামামা পেরিয়ে আল আকসায় হাজারো মুসল্লির ঈদের নামাজ

মিঠাপুকুরে স্কুলের গাছ আত্মসাতসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

মোঃ মোতাহার হোসেন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে
রংপুরের মিঠাপুকুরে টেন্ডার ছাড়াই ৬ লক্ষাধিক টাকার গাছ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
বুূধবার (৬ মে) সকালে অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ পারভেজ।
অভিযুক্ত নিরুপমা রাণী উপজেলার ভাংনী মাঠেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টেন্ডার ছাড়াই
৫/৬ লক্ষ টাকা মুল্যের বড় বড় ১০টি কাঠাল গাছ, ১টি শিশু গাছ, ২টি কড়ই গাছসহ কিছু জংলী গাছ কেটে বিক্রি করেছেন প্রধান শিক্ষক নিরুপমা রাণী। গাছ কাটার সময় প্রধান শিক্ষক এলাকাবাসীকে বলে গাছগুলি টেন্ডারের মাধ্যমে সরকার বিক্রি করেছে। পরে এলাকাবাসী জানতে পারে গাছগুলি সরকারী টেন্ডারে বিক্রি বা কর্তন হয়নি।
অভিযোগে আরো বলা হয়, ওই প্রধান শিক্ষক দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা অফিসার ও স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী লোকের সহযোগিতায় গাছগুলি কর্তন ও বিক্রি করে আত্মসাত করেছেন। এছাড়াও গাছ কর্তন করে স্কুলের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের সময় কাঠ ব্যবসায়ী মোসলেম উদ্দিনের স্ত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে এই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী ও অভিযোগকারী বিএনপি নেতা মোসলেম উদ্দিন জানান,স্কুলের বাউন্ডারি সংলগ্ন আমার জমিতে রোপনকৃত গাছ কর্তনের পর গাছগুলো স্কুলের দাবি করে মামলার হুমকি দিয়ে আমার স্ত্রীর কাছে গোপনে ৫ হাজার টাকা নেয় প্রধান শিক্ষক নিরুপমা রাণী। এছাড়াও স্কুলের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের সময় ৪ শতক জায়গা স্থানীয় সালাম নামের এক ব্যক্তিকে ছেড়ে দিয়ে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে নিরুপমা রাণী। সহকারী শিক্ষা অফিসারের যোগসাজশে টেন্ডার ছাড়াই গাছ কেটে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এছাড়া একটি শিশু গাছ ভ্যানে করে ছ’ মিলে নিয়ে গিয়ে বাড়ির কাজ করেছে। এই দূর্নীতিগ্রস্ত প্রধান শিক্ষকের বিচার চাই।
স্থানীয় ভ্যানচালক নওয়াব আলী জানান, ৩৫০০ টাকার চুক্তিতে একটি শিশুগাছ কেটে দিয়েছিলাম স্কুলের মাঠের। গাছ কাটার পরে মাঝের দুই পিচ গোলাই বটতলী ছ’ মিলে নিয়ে যাই মাস্টারনির কথা মতো। ওনি আমাক বলেছিলো এই কাঠ দিয়ে বাড়ির কাজ করবে।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নিরুপমা রাণী বলেন, আমি নিয়ম মেনে টেন্ডার করে চারটি কাঠাল গাছ ও একটি শিশু কাঠের গাছ বিক্রি করেছি। বাউন্ডারি ওয়ালে অযৌক্তিক কোন জায়গা ছাড়িনি। মিস্ত্রী নিয়ম অনুযায়ী স্বাধীনভাবে বাউন্ডারি ওয়ালের কাজ করেছে। মোসলেম মিয়ার বউ ৫ হাজার টাকা দিয়েছিলো যাতে মোসলেমের বিরুদ্ধে আমি কোন মামলা না করি। আমি সহকারী শিক্ষা অফিসারকে জানিয়ে টাকাটা নিয়েছি। তবে টেন্ডার করে গাছ কাটার কথা বললেও টেন্ডারের কোন নথিপত্র এ প্রতিনিধিকে দেখাতে পারেনি এই প্রধান শিক্ষক। একই সঙ্গে স্কুল মাঠের গাছ কেটে বাড়ির কাজ করার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।
মিঠাপুকুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র দাস জানান, আমি এখানে নতুন এসেছি। সহকারী শিক্ষা অফিসারের কাছে শুনলাম প্রায় এক বছর আগে নিয়ম মেনে টেন্ডার করেই গাছগুলো বিক্রি করেছে। এটা পুরনো ঘটনা। তারপরেও কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।
মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ পারভেজ জানান, এবিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com