1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  2. bot@local.invalid : Service Bot :
  3. infoobayed@gmail.com : infoobayed :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শাহ্ ফতেহ আলী যাত্রীবাহী কোচ থেকে মাদক কারবারী মনির ২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ বগুড়ায় গ্রেফতার নবীনগরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০ রামপালে সংসার খরচ যোগাতে মাথার চুল বিক্রি করলেন এক নারী আবারও দেশকে অস্থির করে তোলার চেষ্টা করছে একটি মহল, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক: মির্জা ফখরুল রাজশাহী কারাগারে কারারক্ষী ‘সিআইডি রাসেল’-এর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও নির্যাতনের অভিযোগ দেড় যুগে ৩৯ বার ক্লাব বদল, ‘যাযাবর’ জেফ থমাস এখন ডাগআউটে এবার মশা দমনে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কৌশল, স্ত্রী মশা দমনে ছাড়বে ৬ লাখ পুরুষ মশা ৯৬ বিদ্যালয়ের ইন্টারনেটের ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সমঝোতা বৈঠকে শিক্ষা কর্মকর্তারা ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী বই পড়ে পুরস্কার পেলো খুলনার ৪৬ স্কুলের ৩২৬৯ শিক্ষার্থী

রাজশাহী কারাগারে কারারক্ষী ‘সিআইডি রাসেল’-এর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও নির্যাতনের অভিযোগ

Desk report
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের জিম্মি করে টাকা দাবি এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক সিনিয়র সহকারী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কারারক্ষীর নাম রাসেল (ব্যাচ নং-১৮৭২), যিনি বন্দীদের কাছে “সিআইডি রাসেল” নামে পরিচিত। টাকা না দিলে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারধর করা এবং অতিরিক্ত খাটুনির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী বন্দী ও তাদের স্বজনরা।

কারাগারের মূল প্রতিপাদ্য “রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ”—এর উল্টো চিত্র ফুটে উঠেছে ভুক্তভোগীদের বর্ণনায়। গোপনে পরিবারের কাছে ফোন করে আকুতি জানিয়ে একাধিক কারাবন্দী অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত রাসেল সামান্যতম কথা কাটাকাটিতেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। দাবি করা টাকা দিলে তার আচরণ স্বাভাবিক থাকলেও টাকা না পেলেই শুরু হয় নির্যাতন।

ভুক্তভোগী এক বন্দীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের স্বজনরা ভেতরে বিন্দুমাত্র নিরাপদ নয়। ওই কারারক্ষী নিয়মিত টাকা চায়। টাকা না পাঠালে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারপিট করা আর কঠিন কাজের ভয় দেখানো হয়। বাধ্য হয়ে ধার-দেনা করে টাকা পাঠাতে হচ্ছে।”

এই ঘটনার পর থেকে কারাগারের সাধারণ বন্দীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যায্য এই জুলুম থেকে বাঁচতে অনেকে পরিবারকে চাপ দিয়ে টাকা আনিয়ে অভিযুক্ত কারারক্ষীকে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা এই ঘটনাকে মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, কারাগার সংস্কার আইন অনুযায়ী প্রতিটি বন্দীর নিরাপত্তা ও মানবিক আচরণ পাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন বলেন, “কারাগারের ভেতরে বন্দীদের ওপর নির্যাতন বা অর্থ দাবির কোনো সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে বা তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com