1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওরে নিয়ে আমি একবারই এসেছি: জামায়াতের ভাইরাল এমপি নজরুল ককরোচরা দিল্লি হাইকোর্টকেও বিপদে ফেলল সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ জেন-জি আন্দোলনের মধ্যে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ককরোচ জনতা পার্টির এবং কৃষকদের আন্দোলনের ধাক্কায় চ্যালেঞ্জের মুখে মোদি সরকার কলকাতায় মমতার ‘শহীদ দিবস’ মঞ্চে ভাঙচুর, বিভক্ত কংগ্রেসের আলাদাভাবে পালনের উদ্যোগ জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিওটি আসল : রিউমর স্ক্যানার স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক বিশ্বকাপ জিতেও মেসির জন্য কাঁদল কুবারসির মন

গাজীপুরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪
  • ৫১৩ বার পড়া হয়েছে
গাজীপুর কালিয়াকৈর এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারে দগ্ধদের আরও ২ জন মারা গেছে। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন দগ্ধ ইয়াসিন আরাফাত ও রাত সাড়ে ৯টায় মশিউর রহমান মারা যান। এ ঘটনায় এ নিয়ে ১৩ জন মারা গেলো।মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম জানান, ইয়াসিনের শরীরের ৬২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। গতকাল সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। মশিউরের শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। ঘটনাটিতে এখন পর্যন্ত ১৫ জন রোগী ভর্তি আছে।
ইয়াসিনের মামা মো. লিটন জানান, তাদের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার খোকসা থানার গবুগ্রামে। বাবার নাম মো. আল আমিন। বাবা-মা পরিবার নিয়ে কালিয়াকৈরে তেলিরচারা এলাকায় থাকতেন। ইয়াসিন একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।মশিউরের ভাই সানোয়ার হোসেন জানান, তাদের বাড়ি লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার পারুলিয়া গ্রামে। বাবার নাম হামিদুল মিয়া। স্ত্রী শাহানা আক্তারকে নিয়ে কালিয়াকৈরে ভাড়া থাকতেন। স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ঘটনার দিন গার্মেন্টসে কাজ শেষ করে বাসায় ফিরছিল। বাসার সামনে জটলা দেখে সেখানে গেলে গ্যাসের আগুনে দগ্ধ হয়।
এর আগে গত ১৩ মার্চ বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে বের হওয়া গ্যাসের সঙ্গে রান্না করা আগুনের সংস্পর্শ হয়। এতে হঠাৎই আগুন লেগে তা ছড়িয়ে গেলে ৩৬ জন দগ্ধ হয়। তাদের উদ্ধার করে ৩২ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে ১৬ জনের শরীরে ৫০ ভাগের বেশি বার্ন ছিল। অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও ছিল। অগ্নিদগ্ধদের মধ্য থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মারা গেছে।(সূত্র;রাইজিংবিডি)
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com