1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

বিদায় অনুষ্ঠানে কাঁদলেন ও কাঁদালেন শিক্ষক সুকুমার বাবু

শাহজাহান সুমন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার  সহকর্মী ও ছাত্র-ছাত্রীরা। এরকম আবেগ ঘন মধ্যেই বিদায় নিয়েছেন শিক্ষক সুকুমার বাবু। দীর্ঘদিন সুনামের সহিত শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। নিজের সংসারের মতো আগলে রেখেছিলেন প্রিয় প্রতিষ্ঠানকে। নিজ হাতে প্রতিষ্ঠানের নানা পরিস্থিতি সামালও দিয়েছেন। জড়িয়ে পড়েন মায়ার বন্ধনে। গতকাল বুধবার এই সিনিয়র সহকারী শিক্ষককে ফুলের মালা পরিয়ে,লালগালিচা সংবর্ধনায় বিদায় দেন সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ কর্মজীবন থেকে অবসরের দিনে কান্নায় ভেঙে পড়েন চন্দ্রপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সহকারী শিক্ষক সুকুমার বাবু। এ সময় প্রিয় শিক্ষকের বিদায়ে কাঁদে শিক্ষার্থীসহ উপস্থিত অন্যরাও। অনুষ্ঠান শেষে বিদায়ী শিক্ষককে সজ্জিত মাইক্রোবাস যোগে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে  হাতীবান্ধা উপজেলার উত্তর জাওরানী গ্রামে তাহার নিজ বাড়িতে  পৌঁছে  দেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।সুকুমার রায় বলেন ‘এই বিদ্যালয় ছিল আমার সংসারের মতো। মনে হতো এটাই আমার সবকিছু। এখানের গাছপালা, লতাপাতাও আমার সঙ্গে জড়িয়ে আছে,আছে হাজারো স্মৃতি”।অনুষ্ঠানে শিক্ষক সুকুমারকে ফুল ছিটিয়ে সম্মান প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীরা। ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সহকর্মী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। মানপত্র পাঠ, ক্রেস্ট প্রদানের মধ্য দিয়ে  শ্রেণি ভিত্তিক ও ব্যক্তিগত ভাবে শিক্ষার্থীগণ তাদের প্রিয় স্যারকে উপহার সামগ্রীও  প্রদান করেন। পরে তাঁকে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।বিদায়ী অনুষ্ঠানে অত্র কলেজের সহঃ অধ্যাপক মোঃ লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় অধ্যক্ষ মোঃ মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চন্দ্রপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ বাস্তবায়ন কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক শেখ আবদুল আলিম, গভর্নিং বডির বর্তমান ও প্রাক্তন সদস্যবৃন্দ, অভিভাবকমন্ডলী, শিক্ষক,শিক্ষিকা, প্রভাষক,কর্মচারী ও শিক্ষার্থীগণ সহ বিপুল সংখ্যক আমন্ত্রিত সুধীমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ মোঃ মফিজুল ইসলাম। বিদায়ী শিক্ষক সুকুমার রায়ের  কর্মময় জীবনের  উপর স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন,  প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক শেখ আবদুল আলিম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,  বারাজান হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বাবু প্রদীপ কুমার রায়, কান্তেশ্বর  মহিলা কলেজের সহঃ অধ্যাপক মিনহাজ উদ্দিন, গভর্ণিং বডির সদস্য শফিকুল ইসলাম, ডা. ইন্দ্রজিৎ রায়, আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক, আক্কেল আলী মাস্টার, রংপুর সমাজ কল্যাণ বিদ্যাবিথী স্কুল ও কলেজে অধ্যক্ষ মোঃ মফিজার রহমান প্রমুখ।প্রসঙ্গত, দেশের  বর্তমান প্রেক্ষাপটে  যেখানে শিক্ষার্থীদের দ্বারা শিক্ষকরা লাঞ্ছিত হওয়ার  খবর পাওয়া যায় অহরহ। সেখানে একজন শিক্ষককে লাল গালিচা সংবর্ধনা প্রদান -এমন বিরল ঘটনায় উচ্ছ্বসিত এলাকাবাসি ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com