বরিশালের বানারীপাড়ায় প্রভাব খাটিয়ে নিজের জমির দাগের বাহিরে অবৈধভাবে পার্শ্ববর্তী খাস জমি দখল করে বিক্রি’র অভিযোগ পাওয়া গেছে।ওই দাগের খাস জমি ক্রয় করে সর্বস্ব হারিয়েছে সাত থেকে আটটি পরিবার। বানারীপাড়া পৌর শহরের ১ নং ওয়ার্ডের অস্থায়ী বাসিন্দা সাকিরের সাথে ও একই ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাকির জানান,বিগত ২০২০ সালে জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখ পৌর শহরের ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সত্য রঞ্জন কুন্ডুর নিকট থেকে ১৮৩ নং দাগের ১.৭৪ শতাংশ জমি ক্রয় এবং তাদের দেখানো স্থানে ভোগ দখল করে আসছিলো।পরে সেখানে খেজুর বাড়ি আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আদেশক্রমে সার্ভেয়ার জমি জরিপ করলে সাকির জানতে পারে সত্যরঞ্জন কুন্ডু তার সাথে প্রতারণা করে উক্ত তফশিলীভুক্ত জমি তাকে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই একই মৌজায় একই খতিয়ানের ১৮২ নং দাগের অন্তর্ভুক্ত সরকারি খাস জমি বুঝিয়ে দেয়। যেখানে পুর্বে খাল ছিলো।খাস জমিজমা সম্পর্কে ভালো না বোঝায় উক্ত জমিতে প্রায় ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে একতলা ভবন বিশিষ্ট বসতবাড়ি নির্মাণ করে সাকির। যার এখন আনুমানিক মূল্য ৪০ লক্ষ টাকা। সাকির সরকারি খাস জমিতে থাকতে চান না জানিয়ে প্রতারণার শিকার সত্য রঞ্জন কুন্ডের কাছে তার জমির দামসহ ক্ষতি পূরণ দাবি করেন।এদিকে বাটপার সত্য রঞ্জন কুন্ডু বিভিন্ন সময়ে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে দীর্ঘদিন যাবৎ তার সাথে প্রতারনা করে আসছে।এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী সাকির কোন উপায় না পেয়ে সত্যরঞ্জন কুন্ডুকে বিবাদী করে বানারীপাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ মোস্তফা জানান,তিনি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন।বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।এদিকে সত্য রঞ্জন কুন্ডুর প্রতারনার শিকার আরো ৭/৮ টি পরিবার খাস জমিতে পাকা বসতঘর গড়ে তুলে তাদের সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌছেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।