1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

মেস ভাড়ার জন্য তালাবদ্ধ ছয় ছাত্রী, অতঃপর উদ্ধার

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০
  • ৩৭০ বার পড়া হয়েছে

মেস ভাড়া না পেয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছয় ছাত্রীকে তালাবদ্ধ করে আটকে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রায় ৪ ঘণ্টা তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকার পর অবশেষে ওই ছাত্রীরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দেয়।

 

এরপর পুলিশ এসে বাড়িওয়ালার কাছ থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় ওই ছাত্রীদের উদ্ধার করেন। কুমিল্লা নগরীর ধর্মপুর এলাকায় মঙ্গলবার (২ জুন) ঘটনাটি ঘটলেও বিষয়টি জানাজানি হয় বুধবার (৩ জুন)। এ নিয়ে এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে সমালোচনা।

ওই ৬ ছাত্রী অভিযোগ করে জানান, তারা নগরীর ধর্মপুরের জাহানারা মঞ্জিলে থাকেন। তারা ভিক্টোরিয়া কলেজে অনার্স ও মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। প্রায় তিন মাস ধরে তারা মেসে থাকছেন না। আর এখন তাদের টিউশনিও বন্ধ। এমন অবস্থায় মঙ্গলবার ওই ছয়জন মেসে যান। এ সময় তারা রুমে প্রবেশের পর মূল গেটে বাড়িওয়ালা জানাহারা বেগম তালা লাগিয়ে দেন।

তারা বলেন, আমরা বলেছি, যেহেতু মেসে ছিলাম না, টিউশনিও নেই এখন তাই অর্ধেক ভাড়া দেব। কিন্তু বাড়িওয়ালা বলেছেন পুরো টাকা দিতে হবে। আমরা বলেছি এখন টাকা সঙ্গে নেই, মালামাল থাকুক। আমরা মে মাস পর্যন্ত টাকা দিয়ে, আসবাবপত্র নেব। একইসঙ্গে জুনের ভাড়াও দাবি করেন বাড়িওয়ালা। এরপর তিনি গেটে তালা লাগিয়ে আমাদের চার ঘণ্টার মতো আটকিয়ে রাখেন। পরে আমরা বাধ্য হয়ে ৯৯৯ নম্বরে কল করি। অবশেষে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. রুহুল আমিন ভূঁইয়া জানান, বিশ্ব এখন মহা সংকটে আছে। এ সময়ে সবাই সবাইকে ছাড় দিতে হবে। এখানে যারা পড়ে, বেশিরভাগ দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তাদের আংশিক ভাড়া মওকুফ করা দরকার।

তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাহানারা মঞ্জিলের মালিক জানাহারা বেগম বলেন, ‘ওরা আমার মেয়ের মতো। আন্তরিকতার মধ্যে তাদের বলেছি, ভাড়া না দিলে তালা খুলব না। মেয়েরা আমার বাড়িতে পুলিশ কল দিয়ে এনেছে। ভাড়ার টাকায় বাসার বিভিন্ন বিল দেই। সরকার যদি গ্যাস, কারেন্ট, পানি বিল মওকুফ করে, আমিও তাদের মওকুফ করতে পারতাম। আর তাদের কাছে আমি তিন/চার মাসের ভাড়া পাই। পূর্বেও এমন করে বহু ভাড়াটিয়া টাকা না দিয়ে চলে গেছে।’

বুধবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা ৯৯৯ নম্বর থেকে কল পেয়ে টিমসহ ঘটনা স্থলে যাই। গিয়ে দেখি বাসায় তালা দেওয়া। পরে মালিককে ডেকে তালা খুলে উভয়ের সঙ্গে কথা বলি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মালিক পক্ষ চায় শতভাগ ভাড়া, আর ছাত্রীরা চায় করোনাকালীন সময়ে অর্ধেক টাকা দেওয়ার জন্য। প্রাথমিকভাবে বিষয়টির সমাধান করে, ছাত্রীদের বাসা থেকে বের হওয়ার ব্যবস্থা করি। যেকোনো সমস্যায় উভয় পক্ষকে থানায় যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

বাংলাদেশ জার্নাল/ এমএম

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com