কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্লাভাটনিক স্কুল অব গভর্নমেন্টে ‘ডিস্টিংগুইশড ফেলো’ হিসেবে যোগ দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তাকে প্রতিষ্ঠানটির ‘ওয়ার্ল্ড লিডার্স সার্কেল’-এর সদস্য করা হয়েছে।
শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার নিয়োগের ঘোষণা দেয়। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর এটিই তার প্রথম বড় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক নিয়োগ।
৫৪ বছর বয়সী জাস্টিন ট্রুডো ২০১৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা ১০ বছর কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়ার পর এবার আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও নীতিনির্ধারণবিষয়ক অঙ্গনে নতুন দায়িত্বে যুক্ত হলেন তিনি।
অক্সফোর্ডের ব্লাভাটনিক স্কুল অব গভর্নমেন্টের ওয়ার্ল্ড লিডার্স সার্কেল সাবেক সরকারপ্রধানদের একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক। এর সদস্যরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নীতিনির্ধারক ও নেতৃত্ব তৈরিতে ভূমিকা রাখেন। এ নেটওয়ার্কে নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকও রয়েছেন।
নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে ট্রুডো বলেন, আমার প্রধানমন্ত্রীত্বের এক দশকে বিশ্ব ভূরাজনীতি ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতি, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন, বৈশ্বিক সহযোগিতা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা পুনর্গঠন বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।
অক্সফোর্ডের শিক্ষার্থী ও ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
ব্লাভাটনিক স্কুল অব গভর্নমেন্টের ডিন অধ্যাপক নাইরে উডস বলেন, এক দশক সরকারি দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা ট্রুডো শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারবেন। তার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে সহায়ক হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চলতি নভেম্বরের শেষ দিকে ট্রুডোর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের কথা রয়েছে।




