1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

বর্তমানে ডিভোর্সের কারণ

মিজান ফরাজী
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৭৫৩ বার পড়া হয়েছে
প্রথমতঃ  আসে যদি ছেলে মেয়ের অমতে বিয়ে দেওয়া হলে। তারা তারপর সেটা মেনে নিতে পারে না বা মানিয়ে গুছিয়ে চলতে পারে না, কোথাও না কোথাও খুব সৃষ্টি হয় মনে ,এটার জন্য বাবা মা দায়ী থাকে । কারণ কখনোই ছেলে মেয়ের ইচ্ছের বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া উচিত নয় ।
দ্বিতীয়তঃ সংসার করতে গেলে দুইজন দুইজনকে বোঝা দরকার দুজন দুজনের কাছে গুরুত্ব থাকা দরকার আর তাদের সম্মান করা দরকার। কিন্তু এখন এ জিনিসটা একদম কমে গেছে ।
তৃতীয়তঃ এখন মানুষজন সোশ্যাল মিডিয়াকে বেশি সময় দিচ্ছে নিজের প্রিয় মানুষদের থেকে , আর সোশ্যাল মিডিয়া দেখে অনেক কিছুই নিজের মনে এক্সপেক্টেশন তৈরি হচ্ছে যেগুলো হয়তো না পেলে কোথাও না কোথাও একটা সমস্যা সৃষ্টি করছে।
চতুর্থতঃ পরক্রিয়া কারণ মানুষের চাহিদা এতটাই বেড়ে যাচ্ছে যে নিজের পার্টনারকে অনেক সময় গুরুত্ব না দিয়ে অন্যদের বেশি গুরুত্ব দিয়ে ফেলা তারপর পরক্রিয়ায় জড়িয়ে পড়া সংসারে অশান্তি শুরু হওয়া এটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ ।
পঞ্চমতঃ এখন যোগ পরিবর্তন হয়েছে মেয়েরাও স্বাবলম্বী হতে শিখেছে, অনেক সময় কাজের দিকে মন দিতে গিয়ে সংসারকে সময় ঠিকভাবে দিতে না পারায় দুটোকে একসাথে ব্যালেন্স না করতে পারায় অনেক সময় এটাই কোথাও না কোথাও একটা দূরত্ব তৈরি করছে।
ষষ্ঠতঃ কিছু মেয়ে ইনকাম করতে শিখে গেলে তখন নিজেরটাই ভাবে, তখন ভাবে যে আমি ইনকাম করছি মানে আমি সবকিছুই আমি বড় ,নিজেকে বড় মনে করা এটাও একটা বিচ্ছেদের কারণ।
সপ্তমত: ধৈর্য শক্তি কম থাকা যা এখনকার জেনারেশনে চলে এসেছে, একটু কোন সমস্যা হলেই সেখান থেকে মানুষজন বেরিয়ে আসতে চাই। নিজের মত বাঁচতে চাই, তাই সংসার করতে গেলে অবশ্যই ধৈর্য শক্তি থাকা দরকার।
অষ্টমত: পরিবার থেকে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা, অনেক সময় অনেক মেয়েকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, যা সীমা ছাড়িয়ে যায় তখন একটা মেয়ে বাধ্য হয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।
নবমত: অতিরিক্ত চাহিদা, অতিরিক্ত চাওয়া পাওয়া, স্বামী/ স্ত্রীর  আনুগত্য না থাকা, Self depend মনে করে নিজের ইচ্ছের মত যা ইচ্ছা তা করা, অন্যদের প্রাধান্য না দেওয়া।
ডিভোর্স হলে শুধুমাত্র যে দুজনের মধ্যে ডিভোর্স হয় না দুটো পরিবারের মধ্যে হয় তার সাথে যদি বাচ্চা থাকে তাহলে সবথেকে ক্ষতি হয় সেই বাচ্চাটার কারণ সে হয় মায়ের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com