1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন

ছাত্রলীগ নেতা আপেলসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

শামীম আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনার কেন্দুয়া সাবেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুখলেছুর রহমান বাঙালীর বাসায় গিয়ে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আপেল মাহমুদসহ অজ্ঞাত নামা আরও ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শিক্ষক মুখলেছুর রহমান বাঙালী বাদী হয়ে গত ২৪ জানুয়ারি কেন্দুয়া থানায় ছাত্রলীগ নেতা আপেল মাহমুদসহ অজ্ঞাত নামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

এরেই প্রেক্ষিতে ২৬ জানুয়ারি শুক্রবার রাতে কেন্দুয়া থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারের উদৃতি দিয়ে পুলিশ জানায়, গত ২৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছত্রলীগ নেতা আপেল মাহমুদ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন সঙ্গী নিয়ে বিভিন্ন অস্ত্রে শস্ত্রে সজ্ঞিত হয়ে সাবেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বাস ভবনে যান। সেখানে আতংক সৃষ্টি করে শিক্ষকের নিকট ২০ লাখ টাকার চাঁদা দাবি করেন। এসময় হুমকি দিয়ে বলেন, যদি ওই টাকা ৩ দিনের মধ্যে না দেওয়া হয় তাহলে শিক্ষকের বাস ভবন ও বিদ্যালয়ের গেইটে তালা লাগিয়ে দেওয়া হবে। তাৎক্ষনিক এ ঘটনার খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

২৪ জানুয়ারি মুখলেছুর রহমান বাঙালী বাদী হয়ে ছাত্রলীগ নেতা আপেল মাহমুদসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। শুক্রবার সন্ধ্যার আগে ছাত্রলীগ নেতা আপেল মাহমুদ এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নিজেকে নির্দোস দাবি করে অভিযোগটি ষড়যন্ত্রমূলক বলে অভিযোগ করে। রাতে মামলা দায়েরের পর থেকে পুলিশ আপেল মাহমুদসহ তার সঙ্গীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালায়। এর পর থেকে ঘা ঢাকা দেন ছাত্রলীগ নেতা আপেল মাহমুদসহ তার সঙ্গীরা।কেন্দুয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হুসাইন মোহাম্মদ ফারাবি বলেন, আপেল মাহমুদ সহ অজ্ঞান নামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এদিকে মুখলেছুর রহমান বাঙ্গালী জানান, চাঁদা দাবি ও হুমকি ঘটনার পর থেকে তিনি ও তার পরিবারের সদস্য জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছেন। তিনি অবিলম্বে আপেল মাহমুদসহ তার সঙ্গীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com