1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

৫ কোটি মানুষের গণভোটে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট খারিজ হয়ে গেছে: গোলাম পরওয়ার

Desk report
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দুর্নীতি দমন কমিশন ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগসহ প্রত্যেকটি সাংবিধানিক পথই হলো সংস্কারের মূল কাঠামো। এগুলো সংস্কার করা না হলে রাষ্ট্র আবারও ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হবে। কিন্তু আপনারা সেখানে ‘না’ বলেছেন। অথচ জনগণকে শুভঙ্করের ফাঁকি দিয়ে বলছেন—আমরা মেনে নেব।

তিনি আরও বলেন, ৫ কোটি মানুষ সরাসরি ভোট দিয়ে আপনাদের সেই ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) খারিজ করে দিয়েছে। জনগণের সেই সামনে আপনাদের ওই আপত্তির কোনো কার্যকারিতা নেই।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জাতীয় সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের ব্যালটে যে চারটি প্রশ্ন সেখানেও নোট অব ডিসেন্ট নেই। তার অর্থ হলো গণভোটের পুরা রায় আপনাকে মানতে হবে। তাই জুলাই আহত শহীদরা আজকে চোখের পানি ফেলে দেড় বছর পর কেন আপনি প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে আবেদন জানাবে? বিলম্ব না করে পার্লামেন্ট চলমান আছে। এই পার্লামেন্টে আপনি সংবিধান সংস্কারের পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার সুযোগ আছে। আপনি ডাকুন, শপথ গ্রহণ করুন এবং গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী সংস্কারের প্রস্তাবকে মেনে নিয়ে সংবিধানের তফসিল অন্তর্ভুক্ত করুন। তাহলেই শহীদদের রক্ত এই আকাঙ্ক্ষা আত্মদান তখন সফল হবে। তা না হলে আবার যদি রক্ত আন্দোলনের দিকে শহীদদের ঠেলে দেন, জাতির কাছে আপনাদের নির্মম পরিণতি বরণ করতে হবে।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ৫ আগস্টের বিপ্লব থেকে আপনাদের শিক্ষা নিতে হবে। আমি আজকের এই ময়দানে উপস্থিত সবাইকে আহ্বান জানাবো ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ সমাবেশ মিছিল, সেমিনার গোল টেবিল দীর্ঘ কর্মসূচি শুরু হয়েছে, জাতীয় সংসদে আমাদের নেতারা লড়াই করবেন। রাজপথেও লড়াই চলবে। জুলাইয়ে রক্তের এই মূল্য না পাওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com