সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় কথিত ‘ব্যক্তিগত আয়নাঘর’–এ নারী-পুরুষকে অবৈধভাবে আটকে রাখার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এ ঘটনায় আলোচিত বাড়ির মালিক সুমন সেখকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিরাজগঞ্জ ডিবির এসআই নাজমুল হক রতন জানান, মঙ্গলবার বিকালে সিরাজগঞ্জ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালত (১)-এর বিচারক আলমগীর হোসেন ১৬৪ ধারায় সুমনের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টাব্যাপী জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তার সুমন সেখ (২৩) রায়গঞ্জ উপজেলার সোনারাম মধ্যপাড়ার বাসিন্দা এবং জহুরুল ইসলামের পুত্র। এ নিয়ে আলোচিত ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এসআই নাজমুল হক বলেন, “সোমবার রাতে সদর উপজেলার বহুলী বাজার এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, পল্লী চিকিৎসক নাজমুল হোসেন আরাফাত তার বাসার নিচতলায় দুটি কক্ষ ভাড়া নেন। সেখানে দুইজন নারী ও পুরুষকে আটকে রাখা হতো। সুমন নিজেই তাদের খাবার সরবরাহ করতেন। এছাড়া আরাফাতসহ আরও দুই থেকে তিনজন ওই ঘরে নিয়মিত যাতায়াত করতেন।” পুলিশ জানায়, সুমন সেখ বর্তমানে দায়ের হওয়া দুটি মামলারই আসামি। তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পলাতক আসামিদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।