1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময় ২১ দেশে কাজ করছে বাংলাদেশের ২৪ বাণিজ্যিক উইং: বাণিজ্যমন্ত্রী বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মিথ্যা অভিযোগে কারা নির্যাতিত শাকিলা ফারজানা সৌদি আরবে অবস্থানরত ২২০০০ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যবসায়ীর কাছে বিএনপির তিন নেতার ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি সোনাতলায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন চিলমারীতে দুই বছরের শিশু হত্যার রহস্য উদঘাটনে সংবাদ সংগ্রহে তিন সাংবাদিককে বাধা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঘাস ব্যবসায়ীর হাত ভাঙা ‎ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ‌ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকাডুবিতে দুই বোনের মৃত্যু, কটিয়াদীতে শোকের মাতম

Kamruzzaman Bhuian
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের ব্ধসঢ়;ৰহ্মপুত্র নদে নৌকাডুবিতে নিলা আক্তার (১৭) ও নীহা আক্তার (৯) নামে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার বড়ো বোনের মৃতদেহ উদ্ধার করলেও নিখোঁজ থাকে ছোট বোন নীহা আক্তার (৯)। আহত হয়েছেন তাদের বাবা আব্দুর রহমান (৫৫) ও মা নিপা আক্তার (৪০)।

শুক্রবার (১১জুলাই) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার দক্ষিণ চরটেকি এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নীলা ও নীহার বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের জালুয়াপাড়া গ্রামে। নিহত নিলা গুরুদয়াল সরকারি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও তাঁর ছোট বোন নীহা আক্তার কটিয়াদী ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। নিহতদের পরিবার মেয়েদের লেখাপড়ার সুবাদে কটিয়াদীতে একটি ভাড়া বাসায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিল। তাই কটিয়াদীতে শোকের মাতম বইছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বিকেলে ভাঙারি ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান পরিবার নিয়ে দক্ষিণ চরটেকির ব্রহ্মপুত্র নদে বেড়াতে যান। সেখানে একটি ছোট্ট ডিঙ্গি নৌকা ভাড়া করে ব্রহ্মপুত্র নদে ঘুরতে বের হন। কিছুক্ষণ পর বড় একটি ট্রলারের ঢেউয়ে ডিঙ্গি নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে উদ্ধার করলেও ৯ বছরের নিহা আক্তারকে খুঁজে পায়নি।
তিনজনকে উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নীলাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা অভিযান চালালেও নিখোঁজ নিহার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে শনিবার বিকালে স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের উদ্ধার অভিযান শুরু করলে একপর্যায়ে নিখোঁজ নীহার লাশ পানিতে ভেসে উঠে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রশাসন নিহত নীহার লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
স্থানীয়রা জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের পাশে দক্ষিণ চরটেকি এলাকাটি স¤প্রতি পর্যটন স্পট হিসেবে বেশ পরিচিতি লাভ করেছে। এখানে প্রতিদিন বহু লোক ঘুরতে যায়। তবে সেখানে নৌযানগুলো খুবই ছোট। আর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com