শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় বিদ্যালয়ের হল রুমে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিলুফার রহমান স্বপ্নার সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আরিফ রববানী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাবিবুর রহমান,সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। এতে মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন বিদ্যালয় সংলগ্ন জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হুসেন আলী।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক নিলুফার রহমান স্বপ্না বলেন, সরকার ঈদে মিলাদুন্নবীকে আনুষ্ঠানিকভাবে পালনের জন্য আমাদের পরামর্শ দিয়েছে। আমরা সরকারের পরামর্শ মোতাবেক উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দিক নির্দেশনা মোতাবেক এই দিবস উদযাপন করছি। কোমলমতি এসব ছোট শিশুরা আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও কর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের জীবনে তা বাস্তবায়ন করে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়বেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে, প্রতিটি ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে তিনি বিশ্বমানবতার জন্য অনিন্দ্য সুন্দর অনুসরণীয় শিক্ষা ও আদর্শ রেখে গেছেন; যা প্রতিটি যুগ ও শতাব্দীর মানুষের জন্য মুক্তির দিশারি হিসেবে পথ দেখাবে।
তিনি বলেন, বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারি, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের পবিত্র স্মৃতিবিজড়িত ১২ রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) বিশ্ববাসী বিশেষত মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত দিন। এ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি।
হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ অনুসরণ বিষয়ে তিনি বলেন, রাসুল সা. এর মাঝেই আছে অনুকরণীয় আদর্শ। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের যে মেসেজ, যে লক্ষ্য তা রাসুলুল্লাহ সা.ও দিয়েছেন। এই ন্যায্যতার প্রয়োজন সারা বিশ্বের সকলের। এই ন্যাযতার প্রয়োজন সকল ধর্মেরই আছে।
পরে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল শেষে হামদ,বাত,রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।