1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  2. bot@local.invalid : Service Bot :
  3. infoobayed@gmail.com : infoobayed :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চলতি মাসে আরও ৫ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার ডেস্ক রিপোর্ট ১৫ আগস্ট ঘিরে সারাদেশে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলকে মনোনীত করায় ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মিষ্টি বিতরণ নাটোরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে নিয়োগের ফলাফল স্থগিত, ছাত্রদলের বিক্ষোভ-ভাঙচুর অনুমতি ছাড়াই ‘পৃথিবী চষে বেড়াচ্ছেন’ ইউপি সদস্য, ভোগান্তিতে সেবাপ্রত্যাশীরা Giocare da mobile su Betarino Casino: accesso facile e tante opportunità শিক্ষক থেকে ‘মহামান্যে’র পথে মির্জা ফখরুল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নে প্রস্তাবক মঈন খান, সমর্থক গয়েশ্বর Discover the top slots at Falcon Casino: a player’s guide to the best games Обзор Pinco: безопасные платежные методы и доступ к играм

পরশুরাম সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল; আট দশকের আলোকবর্তিকা সীমান্তের প্রাচীন বিদ্যাপীঠ

এয়াকুব নবী রিয়াজ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬৩১ বার পড়া হয়েছে

কালের পরিক্রমায় ৮০ বছর পার করেছে সীমান্তবর্তী ফেনীর পরশুরাম সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল। ১৯৪৫ সালে জন্ম নেওয়া এ বিদ্যাপীঠ আজও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মাঝে।

প্রতিষ্ঠার গল্প:-

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে শিক্ষানুরাগী যোগেশ চক্রবর্তী বাড়ি ফেরেন। তাঁর সঙ্গে একাত্ম হন স্থানীয় নুরুল ইসলাম চৌধুরী ও রামচরণ বৈদ্য। তাঁদের উদ্যোগে ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘পরশুরাম মাধ্যমিক উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়’। শুরুতে গাছতলায় কাঠের টেবিলে পাঠদান শুরু হলেও ধীরে ধীরে স্থানীয় দাতাদের জমি দানে বর্তমান স্থানে স্থায়ীভাবে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে সব ভেঙে গেলে যোগেশ চক্রবর্তী স্ত্রীর অলংকার বিক্রি করে আবার গড়ে তোলেন শ্রেণিকক্ষ। দীর্ঘ শিক্ষকতা শেষে তিনি ভারতে গিয়ে জীবনের শেষ সময় কাটান।

শিক্ষা বিস্তারে অগ্রদূত:-

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ বিদ্যালয় অসংখ্য কৃতি শিক্ষার্থী উপহার দিয়েছে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অব.) নুরুল করিম মজুমদার, বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক জিএম ফারুক আহমেদসহ বহু মানুষ, যারা দেশ-বিদেশে কৃতিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বর্তমান অবস্থা:-

বর্তমানে বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ৬৩৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—তিনটি শাখায় শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। সাম্প্রতিক এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলও আশাব্যঞ্জক। ২০২৩ সালে পাশের হার ছিল ৮৬.৭৮ শতাংশ (জিপিএ-৫: ৩১ জন), ২০২৪ সালে ৮৮.২১ শতাংশ (জিপিএ-৫: ২১ জন) এবং ২০২৫ সালে ৭৫.৮১ শতাংশ (জিপিএ-৫: ২১ জন)। চলতি বছরে ৩ জন শিক্ষার্থী বোর্ড বৃত্তি লাভ করেছে।

সংকট ও চ্যালেঞ্জ:-

বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে শিক্ষক সংকট তীব্র। জাতীয়করণের পর ১৩টি পদ সৃজন না হওয়ায় নিয়োগ সম্ভব হয়নি। এখন মাত্র ১১ জন শিক্ষক দিয়ে ক্লাস চলছে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও চারুকলাসহ নানা বিষয়ে শিক্ষক শূন্যতা রয়েছে।

অবকাঠামোগত সংকটও বড় সমস্যা। তিনটি ভবন থাকলেও শিক্ষার্থীর তুলনায় শ্রেণিকক্ষ কম। পর্যাপ্ত বেঞ্চ, টয়লেট ও নতুন ভবনের প্রয়োজনীয়তা জরুরি হয়ে পড়েছে।

সামাজিক ভূমিকা:-

বিদ্যালয়ের মাঠ উপজেলা পর্যায়ের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি সমাবেশের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। স্থানীয়দের মতে, যথাযথ উদ্যোগ নিলে ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আরও এগিয়ে যাবে।

প্রধান শিক্ষকের প্রত্যাশা:-

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান চৌধুরী আসিফ বলেন, “এই বিদ্যাপীঠের ছাত্ররা বিভিন্ন সেক্টরে সুপ্রতিষ্ঠিত। সকলের সহযোগিতায় এটিকে আগামী প্রজন্মের জন্য জ্ঞানের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com