1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান ঝড়ে নারকেল গাছ ভেঙে স্কুলে, আহত একাধিক শিক্ষার্থী ধান কাটার মৌসুমে বৃষ্টির হানা, বিপাকে নবাবগঞ্জের কৃষক কাঠালিয়ায় বালুবোঝাই ট্রলি থেকে ছিটকে চালকের মৃত্যু কুড়িগ্রামে মাইক্রোবাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১১

আপনাদের জন্য কিছু করতে এসেছি-স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন মাহমুদ

আল আমিন সরকার
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় বিগত ১২ বছরে নিজের থেকে ৫৭ কোটি টাকা ব্যায় করেছি। এখানে আপনাদের জন্য কিছু করতে এসেছি। আপনাদের কাছ থেকে দোয়া ছাড়া আর কিছুই প্রত্যাশা করিনা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা সদরের পশু হাসপাতাল মোরে তার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে (আনোয়ারুল হকের বাড়ি) এক নির্বাচনী কর্মী সভায় এসব কথা বলেন সালাউদ্দিন মাহমুদ।
এসময় তিনি বলেন, নির্বাচনকে সফল করতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থ কি বা আমার স্বার্থ কি সেটা বড় কথা না। বড় কথা হলো নির্বাচনকে অর্থবহ করে বিশ্বের দরবারে দেখাইতে হবে। বাংলাদেশে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে সালাউদ্দিন মাহমুদ বলেন, মানুষকে অযাথাই যেন দুর্ভোগে না ফেলা হয়। মোটরসাইকেল মহড়াসহ যে কোন জনদুর্ভোগ এড়িয়ে চলতে আহ্বান জানান তিনি।
ঘিওর, দৌলতপুর, শিবালয়ে ঈগল প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এ প্রার্থী আরও বলেন, দুই লক্ষ্য ৫০ হাজার ভোট যদি আপনারা আমাকে দিতে পারেন তাহলে আপনাদের জন্য সুখবর আছে। চার লক্ষ ছত্রিশ হাজার ভোটের মধ্যে আমাকে দুই লক্ষ ৫০ হাজারের উপরে ভোট কালেক্ট করতে হবে। তাহলে ভালো একটা সম্ভবনা আছে। কোন মন্ত্রীর টেবিলে গিয়ে বলতে হবেনা যে আমার এলাকার ফাইলটা সই করে দেন। তখন আমি সেটা নিজেই করতে পারবো। এজন্য আপনারা ভোট কেন্দ্রে যাবেন, ভোট দেবেন, বন্ধু-বান্ধব আত্মীয় পরিজনদের ভোট দিতে উৎসাহিত করবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীগের উপদেষ্টা সদস্য আতাউর রহমান জানু দর্জি, ঘিওর উপজেলা চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, ঘিওর সদর ইউপি চেয়ারম্যান অহিদুল ইসলাম টুটুল, চকমিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক, ভিপি ফরহাদ প্রমূখ।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com