1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাঠালিয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের ইরানে ২ হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা করলেন সুপ্রিম লিডার ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আরও কোটি মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে : জাতিসংঘ পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়তে কেন্দুয়া প্রশাসনের উদ্যোগ, পাশে বিএনপি নেতৃবৃন্দ ফেসবুক পোস্টের জেরে মামলা, এখন সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতিবাদ মানববন্ধন কর্মসূচি বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ইয়ুথ প্ল্যান বাংলাদেশের পথসভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত, চিকিৎসা সেবা নিতে ক্লিনিকে নয়, সরকারি হাসপাতালে আসুন-এমপি ফজলে হুদা বাগেরহাটের শরণখোলায় অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৫ দোকান মাদক বিরোধী জনসচেতনতা মুলক সভা অনুষ্ঠিত, যুব সমাজকে সচেতন থাকার আহ্বান

কু-সংস্কারের পর্দা সরিয়ে ভন্ড ফকিরের মুখোশ উন্মোচন

মোঃখান ই আজম 
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে
ভন্ড ফকিরের প্রতারণার ফাঁদ, রুটি পরা দিয়ে চোর সনাক্তোর নামে মোটা অংকের টাকা খেয়ে ভালো মানুষকে সাজাতেন চোর সরজমিনে গিয়ে মিললো চাঞ্চল্যকর তথ্য
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার দিকনগর নিশ্চিন্তপুর ৬ নং ওয়ার্ডে ভণ্ড ও প্রতারক ফকিরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ভন্ড ফকির মো: ইসরাফিল শেখ, মৃত মো: রাজ্জাক শেখের ছেলে বলে জানা গেছে।
বুধবার ১৩ই মে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে বাহাদুরপুরে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযোগের সূত্রপাত শুরু হয়, সেখানে নিরীহ এক ছেলেকে ফাঁসানো হয়, সেই ঘটনার তদন্ত করতে গেলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে, সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত ভন্ড ফকির মোহাম্মদ ইসরাফিল শেখ বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
জানাজায় মিথ্যে ঘটনার নেপথ্যে এই ভন্ড ফকিরের কারসাজি ছিল, ঘটনা সত্যতা যাচাই করতে সাংবাদিক টিম প্রথমে এ ব্যাপারে মুকসেদপুর থানায়
ওসি আব্দুল আল মামুনকে অবহিত করেন সেই প্রতারক ফকিরের বাড়িতে গেলে বের হয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। টাকার বিনিময়ে তাবিজ-কবজ, রুটি পড়া, ডিম পড়া ও বিভিন্ন ধরনের কথিত ঝাড়ফুঁকের নামে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে আসছিলেন ওই ব্যক্তি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই ব্যক্তি মানুষের দুর্বলতা ও কুসংস্কারকে পুঁজি করে নানা অনৈতিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিলেন। বিশেষ করে “রুটি পড়া” ও “ডিম পড়া”র নামে মানুষের কাছে বিভিন্ন বস্তু দিতেন, যাতে নেশাজাতীয় উপাদান বা ক্ষতিকর দ্রব্য মেশানো থাকতে পারে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এসব গ্রহণ করার পর অনেকেই অসুস্থ কিংবা অচেতন হয়ে পড়েছেন এবং তাদের মাথায় প্রচুর পানি ঢালা হতো ফলে ভালো মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়তো তখন তাকে চোর সাব্যস্ত করা হতো বলেও দাবি করেন এলাকাবাসী
সাংবাদিকরা সরজমিনে তার বাড়িতে গিয়ে দেখতে পায়, বিভিন্ন ধরনের তাবিজ-কবজ, সিঁদুর, বরশি, রহস্যজনক বোতল, কাগজপত্র ও সন্দেহজনক সামগ্রী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এসব ব্যবহার করেই তিনি মানুষের সাথে প্রতারণা করতেন।
এ সময় অভিযুক্তের স্ত্রী দাবি করেন, তার স্বামী কোনো কবিরাজি করেন না, তিনি শুধু মুদি দোকান পরিচালনা করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, মুদি দোকানের আড়ালেই চলতো এসব প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তার স্ত্রী স্বীকার করেন এর আগেও তিনি প্রতারণার মামলায় জেল খেটেছেন।
ফকিরের স্ত্রীর কাছে  ভন্ড ফকিরকে দেয়া রুটি পড়ার জন্য ২০ হাজার টাকা ফেরত চাইলে তিনি টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন এবং টাকা সংগ্রহ করে দেওয়ার কথা বলে তিনিও পালিয়ে যান। পরবর্তীতে
ভন্ড ফকিরের ফুফাতো ভাই লোকমানের মাধ্যমে ৭ হাজার টাকা ফেরত আনা সম্ভব হয়, বাকি টাকা পরবর্তীতে দেওয়ার কথা বলেন।
পরবর্তীতে বাহাদুরপুরে স্থানীয় সালিশিদের বিষয়টি অবগত হওয়ার পরে তারা অভিযুক্ত ছেলেটিকে নিরাপরাধ ও এই চুরির সাথে কোন সম্পর্ক প্রমাণিত না হওয়ায় ছেলেটিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীরা মনে করেন,নিরীহ মানুষ যেন আর এ ধরনের প্রতারণার শিকার না হন, সেজন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি। একইসঙ্গে অভিযুক্ত ভন্ড ফকিরের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com