1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রোম পুড়লে আমরা নিরো হয়ে বাঁশি বাজাবো না: জামায়াত আমির মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী শিরোমনি জুট স্পিনার মিল চালু ও সকল পাওনা পরিশোধের দাবিতে শ্রমিক জনসভা ‘চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না’: রনি সৌদি আরবে পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট কুরুচিপূর্ণ শব্দের ব‍্যবহার ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান এবি পার্টির আঠারবাড়ী মহাশ্মশানে শ্মশান কালী পূজা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় যুবকের দ্বিতীয় বিয়ে, গ্রামবাসীর হস্তক্ষেপে সমাধান ১৭ই এপ্রিল পীরগঞ্জে গনহত্যা দিবস অনুষ্ঠিত ছাত্রকে বলাৎকারের মামলায় মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার

জবির পরিকল্পনা দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হলেন সৈয়দ আহম্মদ

আরাফাতুল হক চৌধুরী
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২০৯ বার পড়া হয়েছে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থ ও হিসাব দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সৈয়দ আহম্মদ। জবিতে নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটিতে অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক পদে যোগাদান করবেন না তিনি। আগামী সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে সৈয়দ আহম্মদ পরিকল্পনা দপ্তরে যোগদান করবেন।
শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে এসব বিষয় জানা যায়। এর পূর্বে বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক-এর শূন্য পদে অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব দপ্তর) হিসেবে কর্মরত সৈয়দ আহম্মদকে পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত উক্ত দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হলো।
সৈয়দ আহম্মদ ২০১০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থ ও হিসাব দপ্তরে উপ-পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১৭ সালে তিনি দপ্তরটির অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পান। ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্পের হিসাব সংক্রান্ত প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হন তিনি।
ফলে অর্থ দপ্তর থেকে বদলি হয়ে এই কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরে চলে যান। ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি এই দপ্তরে কর্মরত ছিলেন। পরে আবারও অর্থ ও হিসাব দপ্তরে ফিরে যান।
গত ২৮ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটিতে অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান সৈয়দ আহম্মদ। সেখানে যোগদানের জন্য ১৫দিন সময় প্রদান করা হয় তাকে। তবে এর মধ্যেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরে ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব প্রদান করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে সৈয়দ আহম্মদ বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমার উপর আস্থা রেখেই আমাকে পরিকল্পনা দপ্তরের দায়িত্ব দিয়েছেন। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমার দায়িত্ব আরো বেড়ে গেছে। তাই জবিতে থেকেই জবির উন্নয়নে শরীক হওয়াটা শ্রেয় বলে মনে করছি। তিনি আরও বলেন, আমি বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ইউনিভার্সিটিতে যোগদান করবো না। সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাবো। এ লক্ষ্যে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com