জেলার গোপীনাথপুর ও রাজনগর গ্রামে এক যুবকের দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরে গ্রামবাসীর হস্তক্ষেপে বিষয়টির সমাধান হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপীনাথপুর গ্রামের শাহাবুদ্দিনের ছেলে ইয়াসিন ইসলাম আপন (১৯) প্রায় ছয় মাস আগে মকন্দপুর গ্রামের জাহাঙ্গীরের মেয়ে সুমাইয়া খাতুন (১৭)-এর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের পর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরবর্তীতে উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয় এবং তারা দাম্পত্য জীবন শুরু করেন।
তবে ছয় মাস না পেরোতেই ইয়াসিন ইসলাম আপন গোপনে রাজনগর গ্রামের কবিরুল ইসলামের মেয়ে রানী খাতুন (১৬)-এর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং কয়েকদিন আগে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পরিবারের সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরে সবার উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইয়াসিন ইসলাম আপন তার প্রথম স্ত্রী সুমাইয়া খাতুনের সঙ্গেই সংসার করবেন এবং দ্বিতীয় স্ত্রী রানী খাতুনকে ২০ হাজার টাকা প্রদান করে তালাক দেওয়া হবে।
পরবর্তীতে উভয় পক্ষের অভিভাবক ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লিখিত চুক্তি সম্পন্ন করা হয়। এতে নির্ধারিত অর্থ প্রদানের শর্তে রানী খাতুনকে তালাক দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।