1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোমনি জুট স্পিনার মিল চালু ও সকল পাওনা পরিশোধের দাবিতে শ্রমিক জনসভা ‘চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না’: রনি সৌদি আরবে পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট কুরুচিপূর্ণ শব্দের ব‍্যবহার ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান এবি পার্টির আঠারবাড়ী মহাশ্মশানে শ্মশান কালী পূজা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় যুবকের দ্বিতীয় বিয়ে, গ্রামবাসীর হস্তক্ষেপে সমাধান ১৭ই এপ্রিল পীরগঞ্জে গনহত্যা দিবস অনুষ্ঠিত ছাত্রকে বলাৎকারের মামলায় মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার ডি এম আবু হানিফ স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গাইল খাগড়াছড়িতে ছাত্র পরিষদের সদস্য নীতিশ চাকমা’র আত্মবলিদানের ৩৩ বছর আজ

তরুণী ধর্ষণ মামলায় পাবনা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক গ্রেফতার

নাহিদুজ্জামান
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৪৮ বার পড়া হয়েছে
এক তরুণীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালের নাক কান গলা রোগ বিশেষজ্ঞ (জুনিয়র কনসালটেন্ট) ডা. মনিরুজ্জামান নয়নকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বিকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
এর আগে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে তাকে শালগাড়িয়া হাসপাতাল সড়কের ভাড়া বাসা থেকে পাবনা থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার ডা. নয়ন পাবনা সদর উপজেলার ক্যালিকো রাজাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে। তিনি ৩৩ বিসিএস সম্পন্ন করে মেডিকেল অফিসার হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন এবং ২০২০ সাল থেকে প্রেষণে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন।
থানায় দায়ের করা অভিযোগে তরুণী (২৩) জানান, তিনি একটি বেসরকারি ফ্যামিলি হিয়ারিং সেন্টারে চাকরি করেন। সেই সুবাদে ডা. মনিরুজ্জামান নয়ন রোগীদের পরীক্ষার জন্য তার কাছে রোগী পাঠাতেন। রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ডা. নয়নের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সুযোগে গত সেপ্টেম্বর মাসের কোনো একদিন ডা. তাকে বলেন- তার (ডা. মনিরুজ্জামান নয়ন) স্ত্রী বেশ অসুস্থ এবং এজন্য তাকে বাসায় এসে একটু রান্নার কাজে সাহায্য করতে হবে।
তরুণী সরল বিশ্বাসে তার বাসায় যান এবং স্ত্রীর কথা জিজ্ঞাসা করলে ডা. জানান, তার স্ত্রী বাসায় নাই। এ সময় তরুণী বাসা থেকে বের হয়ে আসতে চাইলে ডা. বাসার প্রধান দরজা বন্ধ করে দেন এবং তাকে জোর করে বেডরুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন। সেই ধর্ষণের দৃশ্য তিনি মোবাইলে গোপনে ধারণ করে রাখেন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বাসায় নিয়ে একাধিকাবার ধর্ষণ করেন।
এরপর থেকে আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি ডিলিট করতে তাকে অনুরোধ করেন ওই তরুণী। কিন্তু তিনি তা না করে বরং ভয় দেখিয়ে বারংবার ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ গত ১১ নভেম্বর সন্ধ্যায় তার বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ অবস্থায় উপায়ন্তর না পেয়ে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
পাবনা থানার ওসি রওশন আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তরুণী মঙ্গলবার নিজে বাদী হয়ে পাবনা থানায় মামলা করেছেন এবং তার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে তরুণীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে পুরোপুরি তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গ্রেফতার ডা. নয়নকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ডা. নয়নের স্বজনরা অভিযোগ করেন, মেয়েটি পরিকল্পিতভাকে তাকে ফাঁসিয়েছেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com