1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শাহবাগে ফের পুলিশ-শিক্ষক মুখোমুখি হামাসের তিন সদস্যকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের মানবতাবিরোধী অপরাধ: নানক-তাপসসহ ২৮ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ ৫ মে চট্টগ্রাম পৌঁছবে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল: কর্মকর্তা ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে গুলি চালানো কে এই কোল টমাস অ্যালেন? পবিপ্রবিতে জিওস্পেশাল ও ড্রোন প্রযুক্তি বিষয়ক দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু সোনাতলায় সিনিয়র শিক্ষক জামাল উদ্দিনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত নড়াইলে ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী ও তার কোলে থাকা শিশুর মৃত্যু টেকনাফ সাংবাদিক সমিতি (টেসাস)-এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন, অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার জোয়ার প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে রংপুরের তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক

দিনাজপুর-৪ আসনে চতুর্থবারের মতো বিজয়ী সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী

মো:আকতার হোসেন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৪ (খানসামা ও চিরিরবন্দর) আসনে ৩৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এতে চতুর্থবারের মতো বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
নির্বাচনে মাহমুদ আলী পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৪৭ ভোট ও তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের তারিকুল ইসলাম তারিক পেয়েছে ৬২ হাজার ৪২৪ ভোট।
জানা যায়, ৭ জানুয়ারি রোববার সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খানসামা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৫২টি ও চিরিরবন্দর উপজেলার ৭৮টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হয় আজ। এতে প্রার্থী ও সমর্থকেরা তেমন কোনো অভিযোগ করেননি।
চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শরিফুল হক এবং খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তাজ উদ্দিনের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এই উপজেলার ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ জন ভোটারের মধ্যে ৫২ হাজার ৯৭১ জন ভোটার তাঁদের ভোট প্রদান করেছেন। এর মধ্যে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাসান মাহমুদ আলী পেয়েছে ৩৮ হাজার ৮৬৭ ভোট, ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিকুল ইসলাম তারিক পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৯১ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকের মোনাজাত চৌধুরী মিলন ৫৬৩ ভোট ও আম প্রতীকে আজিজা সুলতানা ২৫৯ ভোট পেয়েছে। বাতিল হয়েছে ৮৯১ ভোট।
অন্যদিকে চিরিরবন্দর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ২ লাখ ৫৪ হাজার ১০৭ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ১১ হাজার ১১৯ জন ভোটার ভোট প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাসান মাহমুদ আলী পেয়েছে ৫৭ হ্জার ৫৮০ ভোট, ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিকুল ইসলাম তারিক পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩৩ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকের মোনাজাত চৌধুরী মিলন পেয়েছে ৫৩১ ভোট ও আম প্রতীকে আজিজা সুলতানা পেয়েছে ৪৬৬ ভোট ও বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৫০৯ ভোট।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com