1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজপথের দুই যোদ্ধা এবার ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে: ফরিদপুর ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক সাহেদুল, সদস্য সচিব সজল নেত্রকোনায় কারারক্ষীর বাড়িতে হামলা-লুটপাাটের অভিযোগ দায়ের দেখার কেউ নেই মাধবপুর কৃষি জমি, নদী, ছড়া, থেকে বালুমাটি লুট পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রংপুরে নবনির্বাচিত ৬ সংসদ সদস্যের সাথে জেলা প্রশাসনের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সোনালী ব্যাংকের ওয়াশরুম থেকে টাকা চুরির ঘটনায় ৩ জন গ্রেফতার মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে সংসদ সদস্য, সেবার মানোন্নয়নে কড়া নির্দেশনা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পিরোজপুরে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির ‘মহোৎসব’, বিপন্ন ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা, জাতির মেরুদণ্ড কি আজ রুগ্ন? গাইবান্ধায় ২৫ শে মার্চ গণহত্যা ও ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে প্রস্তুুতিমুলক সভা।।

বয়স্ক ভাতার একটা কার্ড চান ৯০ বছরের আব্দুর রব

ওমর ফারুক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৬৭ বার পড়া হয়েছে
বয়সের ভারে ন্যুব্জ আব্দুর রব। বার্ধক্যজনিত কারণে নানা রোগে-শোকে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন তিনি। বয়স হয়েছে ৯০ বছর। চিকিৎসা দূরের কথা, তিন বেলা খাবার জোটানোও তাঁর জন্য কষ্টকর। জীবনের শেষ সময়ে একটু সচ্ছলতার আশায় বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য ধরনা দিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে। ১৫ বছর ধরে আশ্বাস মিললেও এখনো জোটেনি কোনো কার্ড। স্ত্রী মৃত্যুর পর থাকেন অন্যের ঘরে দিন কাটে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে।
আব্দুর রব বাড়ি রামগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর  ইউনিয়নের মাছিমপুর  গ্রামে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তাঁর জন্মতারিখ ১৯৩৭ সালের ২ মে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, বয়স্ক ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে নারীর বয়স সর্বনিম্ন¤৬২, আর পুরুষের বয়স সর্বনিম্ন ৬৫ বছর। সে অনুযায়ী আব্দুর রবের বয়স্ক ভাতা পাওয়ার যোগ্য হলেও এত দিনেও কেউ তাঁর সহযোগিতায় এগিয়ে আসেনি।
এলাকাবাসী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আব্দুর রবের স্ত্রী মারা গেছেন প্রায় ২০ বছর আগে। সহায়-সম্পদ বলতে একখণ্ড বাড়িভিটা ছাড়া তাঁর তেমন কিছু নেই। সংসারজীবনে দুই ছেলে ও দুই মেয়ে তার। আব্দুর রবের বড় ছেলে মফিজ অন্যের দোকানে চাকরি করে কোন মতে জীবিকা নির্ভর করে। ছোট ছেলে রিক্সা চালিয়ে নিজের সংসার দেখভাল করে।
আব্দুর রব বলেন, ‘স্ত্রী মারা যাওয়ার পর আমি দুই মেয়ের বাড়িতে থাকি। ওদের সংসারও টানাপোড়া।  বাড়িতে থাকলে ছোট ছেলে শাহ আলম  বউ-ছাওয়াল নিয়ে কোনোরকম কষ্ট করে চলে। তাই নিজ গ্রামে আমাকে জীবন পার করতে হচ্ছে। অসুস্থ হলে ঠিকমতো ওষুধ কিনে খ্যাতে পারি না। একটু খ্যায়ে-পড়ে চলার জন্য ম্যালা দিন ধরে চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য কত্তবার গেছি, হিসাব নাই। ব্যাবাক খালি কথা দিছে, কেউ কথা রাখেনি। আর কত বয়স হলে আমাকে কার্ড দিবে?’
রিক্সা চালক ছেলে শাহ আলম  বলেন, ‘উপার্জনের টাকায় না চলায় ধ্যারদেনা করে খুব কষ্টে চলতেছি। তার ওপর বাবার দেখাশোনা করতে হয়। এর মধ্যে অসুস্থ বাবার ওষুধ খাওয়ানো লাগে। বয়স হয়ে যাওয়ায় বাবা প্রায় সব সময়ই অসুস্থ থাকে। বয়স্ক ভাতার কার্ডটা হলে খুব  উপকার হতো।’
এ ব্যাপারে চন্ডিপুর  ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি)  চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম সুমন  বলেন, ‘এত বয়সী এই বৃদ্ধ ব্যক্তির বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়নি, এটা আমার জানা ছিল না। আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পর তিনি আমার কাছে এ ব্যাপারে আসেননি। তবে স্থানীয় ইউপি সদস্যের সঙ্গে কথা বলে যৌক্তিকতা থাকলে আমি তাঁর একটা বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেব।’
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com