1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদে বিরোধী দলকে তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিতে হবে: মঈন খান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে নিজেদের হিপোক্রেসির কথা প্রকাশ করেছেন: হাসনাত আব্দুল্লাহ ৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়েই কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির নয়, ইউনূস-নূরজাহানের বিচার চাওয়া উচিত : আনিস আলমগীর ‘ঢাকা-সিলেট রুটে রেলের ডাবল লাইন করার চিন্তা করছে সরকার’ হরমুজের নাম ট্রাম্প প্রণালি, প্রকাশ্যে এলো নতুন মানচিত্র নাহিদকে ‘আমার নেতা, বাংলাদেশের নেতা’ বললেন হাসনাত কারও সাহায্য না পেয়ে ২০ বছরের প্রচেষ্টায় নিজস্ব ট্যাংকের মালিক তুরস্ক ভোটের ময়দানে প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত থালাপতি বিজয় রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান

বয়স্ক ভাতার একটা কার্ড চান ৯০ বছরের আব্দুর রব

ওমর ফারুক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৮৬ বার পড়া হয়েছে
বয়সের ভারে ন্যুব্জ আব্দুর রব। বার্ধক্যজনিত কারণে নানা রোগে-শোকে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন তিনি। বয়স হয়েছে ৯০ বছর। চিকিৎসা দূরের কথা, তিন বেলা খাবার জোটানোও তাঁর জন্য কষ্টকর। জীবনের শেষ সময়ে একটু সচ্ছলতার আশায় বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য ধরনা দিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে। ১৫ বছর ধরে আশ্বাস মিললেও এখনো জোটেনি কোনো কার্ড। স্ত্রী মৃত্যুর পর থাকেন অন্যের ঘরে দিন কাটে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে।
আব্দুর রব বাড়ি রামগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর  ইউনিয়নের মাছিমপুর  গ্রামে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তাঁর জন্মতারিখ ১৯৩৭ সালের ২ মে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, বয়স্ক ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে নারীর বয়স সর্বনিম্ন¤৬২, আর পুরুষের বয়স সর্বনিম্ন ৬৫ বছর। সে অনুযায়ী আব্দুর রবের বয়স্ক ভাতা পাওয়ার যোগ্য হলেও এত দিনেও কেউ তাঁর সহযোগিতায় এগিয়ে আসেনি।
এলাকাবাসী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আব্দুর রবের স্ত্রী মারা গেছেন প্রায় ২০ বছর আগে। সহায়-সম্পদ বলতে একখণ্ড বাড়িভিটা ছাড়া তাঁর তেমন কিছু নেই। সংসারজীবনে দুই ছেলে ও দুই মেয়ে তার। আব্দুর রবের বড় ছেলে মফিজ অন্যের দোকানে চাকরি করে কোন মতে জীবিকা নির্ভর করে। ছোট ছেলে রিক্সা চালিয়ে নিজের সংসার দেখভাল করে।
আব্দুর রব বলেন, ‘স্ত্রী মারা যাওয়ার পর আমি দুই মেয়ের বাড়িতে থাকি। ওদের সংসারও টানাপোড়া।  বাড়িতে থাকলে ছোট ছেলে শাহ আলম  বউ-ছাওয়াল নিয়ে কোনোরকম কষ্ট করে চলে। তাই নিজ গ্রামে আমাকে জীবন পার করতে হচ্ছে। অসুস্থ হলে ঠিকমতো ওষুধ কিনে খ্যাতে পারি না। একটু খ্যায়ে-পড়ে চলার জন্য ম্যালা দিন ধরে চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য কত্তবার গেছি, হিসাব নাই। ব্যাবাক খালি কথা দিছে, কেউ কথা রাখেনি। আর কত বয়স হলে আমাকে কার্ড দিবে?’
রিক্সা চালক ছেলে শাহ আলম  বলেন, ‘উপার্জনের টাকায় না চলায় ধ্যারদেনা করে খুব কষ্টে চলতেছি। তার ওপর বাবার দেখাশোনা করতে হয়। এর মধ্যে অসুস্থ বাবার ওষুধ খাওয়ানো লাগে। বয়স হয়ে যাওয়ায় বাবা প্রায় সব সময়ই অসুস্থ থাকে। বয়স্ক ভাতার কার্ডটা হলে খুব  উপকার হতো।’
এ ব্যাপারে চন্ডিপুর  ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি)  চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম সুমন  বলেন, ‘এত বয়সী এই বৃদ্ধ ব্যক্তির বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়নি, এটা আমার জানা ছিল না। আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পর তিনি আমার কাছে এ ব্যাপারে আসেননি। তবে স্থানীয় ইউপি সদস্যের সঙ্গে কথা বলে যৌক্তিকতা থাকলে আমি তাঁর একটা বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেব।’
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com