1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না’: রনি সৌদি আরবে পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট কুরুচিপূর্ণ শব্দের ব‍্যবহার ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান এবি পার্টির আঠারবাড়ী মহাশ্মশানে শ্মশান কালী পূজা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় যুবকের দ্বিতীয় বিয়ে, গ্রামবাসীর হস্তক্ষেপে সমাধান ১৭ই এপ্রিল পীরগঞ্জে গনহত্যা দিবস অনুষ্ঠিত ছাত্রকে বলাৎকারের মামলায় মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার ডি এম আবু হানিফ স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গাইল খাগড়াছড়িতে ছাত্র পরিষদের সদস্য নীতিশ চাকমা’র আত্মবলিদানের ৩৩ বছর আজ মহিপুরে ভুয়া ডাক্তারের অশ্লীল ছবি ভাইরাল,স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ

১৮ বছর পর আলফাডাঙ্গায় জামায়াত ইসলামী শহীদের স্মরণে উম্মুক্ত জনসভা

মোঃ বুখারী মল্লিক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৮৫ বার পড়া হয়েছে
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ১৮ বছর পর  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌরসভা শাখার উদ্যোগে ২৮ অক্টোবর ২০০৬ সালের শহীদদের স্মরণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (২৮ শে অক্টোবর) উপজেলার পৌর এলাকায় বিকালে ৪টায় আসাদুজ্জামান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পাশে বারাসিয়া নদীর পাড়ে বিশাল
 আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৬ সালে ২৮ শে অক্টোবর এই দিনে এ দেশের রাজনীতি ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত হয়। চারদলীয় জোট সরকারের শেষ সময় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন  ১৪ দলীয় জোট সমাবেশে এ থেকে প্রকাশ্যে দিবালোকে লগি বইটা দিয়ে তরতাজা তরুণদের পিঠে হত্যা করা হয়।লগি বৈঠা লাঠিও বোমা হামলা চালিয়ে যেভাবে মানুষ খুন করা হয়েছে তা মনে হলে আজও শিহরে উঠতে হয়। রাজধানী প্রাণকেন্দ্রে সেদিন সাপের মতো পিটিয়ে মানুষ মেরে লাশের উপর নিত্য উল্লাস করার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছিল বিশ্বের অগণিত মানুষ। এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ও পাশবিকতায় কেঁদেছে বাংলাদেশ, কেঁদেছে  বিশ্ব মানবতা। জাতিসংঘের তৎকালে মহাসচিব থেকে শুরু করে সারা বিশ্বেও ওঠে প্রতিবাদের ঝড়।এটা শুধুমাত্র নিশংস হত্যাকান্ড নয়, এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের স্বাভাবিক পথ চলা ব্যাহত হয়, ঘটে ব্যক্ত হয় ব্যত্যয়।সর্বত্র বিচারহীনতায় সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার স্লোগান দেখা গেলেও এই নির্মম ঘটনার  বিচার হতে দেখেনি বিদ্বেষবাসী।২৮ অক্টোবর বাংলাদেশে ইতিহাসে মানবতাবিরোধী অপরাধে এক কলঙ্কজনক দিবস।ঐদিন বিকাল তিনটায় বাইতুল মোকাররমে উত্তর সড়কে পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশ ছিল।সকাল  থেকেই সভার মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল।হঠাৎ করেই বেলা ১১ঃ০০ টার দিকে লগি বৈঠা ও অস্ত্রধারীরা জামাতের সমাবেশ স্হলে হামলা চালায়। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পল্টনের বিভিন্ন গলিতে ঢুকে পড়ে এবং নিরীহ জামাত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বেধড়ক পেতে থাকে এবং অনেকেই নিহত হয়।
আলোচনা সভায় উপজেলা শাখার জামায়াতপে আমীর মাও: মো. কামাল হোসাইন’র সভাপতিত্বে ও  পৌর শাখার জামায়াত আমির প্রভাষক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম’র সন্ঞ্চালনায়।প্রধান অতিথি  বক্তব্য  দেন ফরিদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল ওহাব,বিশেষ অতিথি বক্তব্য দেন,জেলা শাখা জামায়াতে কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক ইমারত হোসেন চৌধুরী,শরিয়াতপুর জেলা জামায়াতে সেক্রেটারী মাওলানা মো. শাহাবুদ্দিন, নায়েবে আমির মাওলানা আবুল হাসান,সাংগঠনিক সম্পাদক  মাওলানা রিদওয়ানু ন্নবী,যুব সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান, সহকারীর সেক্রেটারি মাওলানা নিজামুদ্দিন, পৌর আমির মো. ওহিদুজ্জামান,  ওলামা সম্পাদক মাওলানা হুসাইন আহমেদ,ছাত্র সম্পাদক হাফেজ মুয়াজ, আরো বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রীবৃন্দ আলোচনা করেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com