1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ছাত্রদল নেত্রী মানছুরা নাহিদের জোড়া আঘাত, পাওয়ার প্লেতে নিউজিল্যান্ডকে চাপে রেখেছে বাংলাদেশ মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আইপি বন্ধ থাকায় হিলি বন্দরে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা

হাসান আলী
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে
দেশের বাজারে দাম স্বাভাবিক রাখতে সরকারের অনুমতি পাবার পর গেলো ১৭ই আগস্ট থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয় পেঁয়াজ আমদানি। আমদানির পর থেকেই নিম্নমুখী হতে শুরু করে পেঁয়াজের দাম। তবে হঠাৎ করে কোনো ঘোষণা ছাড়া ১৯ই আগস্ট থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমত পত্র (আইপি) দেওয়া বন্ধ করে দেয় সরকার। এতে চরম বিপাকে পড়ে যায় বন্দরের ব্যবসায়ীরা, বন্ধের পথে পেঁয়াজ আমদানি। আর এ খবরে বন্দরের পাইকারি ও খুচরা বাজারে বেড়েছে সবধরনের পেঁয়াজের দাম। কয়েক দিনের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত।

আজ রবিবার দুপুরে হিলি স্থলবন্দর ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, বন্দরে রয়েছে বেশ কয়টি ভারতীয় পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক। এছাড়াও খুচরা বাজারেও সরবরাহ রয়েছে দেশি ও আমদানিকৃত পেঁয়াজের। কিন্তু দামে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে মাত্র ৪ থেকে ৫ দিনের ব্যবধানে বেড়েছে সব পেঁয়াজের দাম। আমদানিকৃত ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে সেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা কেজিতে,নাসিক জাতের পেঁয়াজ ৫৫ টাকা বিক্রি হলেও এখন তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজিতে আর দেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা বেড়ে মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক নুর ইসলাম বলেন, সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর আমরা হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করছিলাম। হঠাৎ করে আইপি বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা বিপাকে পড়েছি নতুন করে আইপি না দেওয়ায় আমদানি বন্ধ। আগে অনুমতি পাওয়া দুই এক ট্রাক পেঁয়াজ আসছে কিন্তু তা দিয়ে চাহিদা মিটানো সম্ভব না যার কারনে বাজারে দাম বাড়তে শুরু করেছে।

তিনি আরো বলেন, সরকারের কাছে অনুরোধ দ্রুত আইপি দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ করে দিবে সরকার। এতে বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।

হিলি স্থলবন্দরের কমিশন ব্যবসায়ী শাকিল বলেন,আমদানি শুরুর সাথে সাথে দাম কমতে শুরে করেছিল। দাম কম হলে ব্যবসা করতে আমাদেরও ভালো হয়। আমদানি বন্ধের কারনে দামও বেড়েছে অনেক। ৪৫ টাকার পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ৫৫ টাকা আবার দেশি পেঁয়াজ তো একলাফে ৬৫ টাকা থেকে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে এতে আমাদের সমস্যা হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরে উদ্ভিদ সংগোনিরোধের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেশকিছু আমদানিকারকদের পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে তবে ১৯ তারিখের পর নতুন করে পেঁয়াজের আর আইপি ইস্যু হয়নি।

হিলি কাস্টমসের তথ্যমতে, আমদানি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ভারতীয় ৭০ ট্রাকে ২ হাজার ৮৭ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com