1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজপথের দুই যোদ্ধা এবার ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে: ফরিদপুর ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক সাহেদুল, সদস্য সচিব সজল নেত্রকোনায় কারারক্ষীর বাড়িতে হামলা-লুটপাাটের অভিযোগ দায়ের দেখার কেউ নেই মাধবপুর কৃষি জমি, নদী, ছড়া, থেকে বালুমাটি লুট পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রংপুরে নবনির্বাচিত ৬ সংসদ সদস্যের সাথে জেলা প্রশাসনের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সোনালী ব্যাংকের ওয়াশরুম থেকে টাকা চুরির ঘটনায় ৩ জন গ্রেফতার মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে সংসদ সদস্য, সেবার মানোন্নয়নে কড়া নির্দেশনা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পিরোজপুরে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির ‘মহোৎসব’, বিপন্ন ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা, জাতির মেরুদণ্ড কি আজ রুগ্ন? গাইবান্ধায় ২৫ শে মার্চ গণহত্যা ও ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে প্রস্তুুতিমুলক সভা।।

আলোর বাতিঘর ফরিদ উদ্দিন গেলেন অবসরে

মো:মামুন বিশ্বাস
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে
মোহা: ফরিদ উদ্দিন (৬০)। নবাব সিরাজ উদ্দৌলা কলেজের অধ্যক্ষ। অসংখ্য শিক্ষার্থীর শিক্ষক। মানুষ গড়ার কারিগর তিনি। আজকে অবসরে গেলেন।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের আমকাঁঠালিয়া গ্রামের মৃত আলহাজ্ব মকছেদ আলীর ছেলে মোহা: ফরিদ উদ্দিন। ছোটবেলার স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে একদিন শিক্ষক হবেন। সমাজের অবহেলিত,পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করবেন। হাঁটছিলেনও সে পথেই। শিক্ষাজীবন শেষ করে সে মোতাবেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ভাইভাতে অংশ নেননি।
উত্তরা ব্যাংক লিঃ এর অফিসার পদে চাকুরী হলেও জন্মস্থান এলাকা ছাড়বেন না তাই তিনি যোগ দেননি।
১৯৯২ সালে উপজেলার বলিদাপাড়া বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা পেলে তিনি প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। এক বছর চাকুরী করার পর বৈচিত্রে বিশ্বাসী ফরিদ উদ্দীন চাকুরী থেকে ইস্তফা দেন।
১৯৯৩ সালে ফরিদ উদ্দিন উপজেলার হালসা আদর্শ কলেজে অর্থনীতির প্রভাষক হিসাবে যোগদেন। একই সাথে নিজ এলাকায় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠায় সকল শ্রেণী পেশার নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় চলতে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০০০ সালে ফরিদ উদ্দিনকে অধ্যক্ষ করে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের পাশেই মিরপুর উপজেলাস্থ বারুইপাড়া ইউনিয়নের জিকের পরিত্যাক্ত জমিতে গড়ে তোলা হয় ” নবাব সিরাজ উদ্দৌলা কলেজ।
নন এমপিও নবাব সিরাজ উদ্দৌলা কলেজের অধ্যক্ষ ও এমপিওভুক্ত হালসা আদর্শ কলেজের প্রভাষক হিসাবে চলতে থাকে ফরিদ উদ্দিনের ব্যাস্ততা।
এক পর্যায়ে নবাব কলেজ এমপিওভুক্ত হবে এমন আশ্বাসে এমপিওভুক্ত হালসা কলেজ থেকে ২০০৪ সালে ১১ বছরের শিক্ষকতাকে ইস্তফা দিয়ে চলে আসেন।
সে আশায় গুড়েবালী হয়। নবাব কলেজ এমপিওভুক্ত হবে হচ্ছে করে সময় গড়াতে থাকে।
বিএনপি,তত্বাবধায়ক, আওয়ামীলীগের পর আবার দ্বিতীয় মেয়াদে আওয়ামীলীগ ক্ষমতাসীন হলেও কেউ কথা না রাখায় অব্যাহত ভাল ফলাফল করেও প্রতিষ্ঠার প্রায় দীর্ঘ দুই দশক পর নবাব সিরাজ উদ্দৌলা কলেজ এমপিওভুক্ত হয়।
এই কলেজে অধ্যায়ন করে অসংখ্য শিক্ষার্থী ভাল ফলাফল নিয়ে পাশ করে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। অথচ সেই কলেজটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দীনসহ ২৪ জন শিক্ষক কর্মচারী দীর্ঘ ২১ বছর ধরে বেতনহীন চরম মানবেতর জীবন যাপন করেন। সবকিছুর অবসান ঘটিয়ে দেড় বছর আগে এমপিও ভুক্তি হয় এ কলেজটির। তবে এতদিনে তিনিসহ সকল শিক্ষক কর্মচারীদের মনোবাসনা পুরন হয়।
তাঁর অবসরের দেড় বছর আগ থেকে নবাব সিরাজ উদ্দৌলা কলেজ’র এমপিওভুক্ত হওয়ায় তিনি অন্তত অন্যসকল শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকলো। এ যেন ‘শেষ ভালো যার,সব ভালো তার’ মহান এই বাক্যটি প্রতিফলিত হলো ফরিদ উদ্দিনের জীবনে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com