1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক

Desk report
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল যেভাবে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল করছে, একইভাবে ছাত্রদলের ‘আদুভাইয়েরা’ প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের হলের সিট দখল করছেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাজনৈতিক বিবেচনায় সিট বরাদ্দের প্রতিবাদ জানানোয় ছাত্রদল নেতার হেনস্তা ও হুমকির অভিযোগ তুলে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে মুসাদ্দিক জানান, দুপুর ১টা ২২ মিনিটে তিনি এক বন্ধুকে নিয়ে কলাভবনের পেছনের গেট দিয়ে ক্লাসে যাচ্ছিলেন। এ সময় ২০০৬-০৭ সেশনের ছাত্রদল নেতা আলাউদ্দীন তার পথরোধ করেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিলেন। শুরুতেই তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকেন কেন তিনি আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি তাকে জানাই, পোস্টে কোনো আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করা হয়নি; বরং তাকে ভদ্রলোক হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কীভাবে তাকে বিশেষ বিবেচনায় সিট দিলো, যা বিদ্যমান নীতিমালার বাইরে।

মুসাদ্দিক অভিযোগ করেন, এ সময় আলাউদ্দীন তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের চেষ্টা করেন। আশপাশের লোকজন তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলেও তিনি বারবার তেড়ে আসেন। পরে সঙ্গীরা তাকে সরিয়ে নিলেও যাওয়ার সময়ও হুমকি দিতে থাকেন।

তিনি বলেন, তার হুমকিতে আমি নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। যে কোনো সময় তারা ক্ষতি করতে পারে। এ ঘটনায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি জানান।

একই সঙ্গে অবৈধভাবে সিট দখলকারীদের উচ্ছেদ করে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানান তিনি। মুসাদ্দিক আরও বলেন, প্রশাসন যদি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয় এবং ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, তবে এর দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলন শেষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com