1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

ঈদের ছুটি কাটিয়ে ব্যস্ত নগরী ঢাকায় কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ

আফছার আলী খান , চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
  • ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

কোরবানি ঈদের ছুটি শেষে পুনরায় কর্মব্যস্ত জীবনে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন দেশের  উত্তরাঞ্চলের মানুষ। দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দর মহাসড়ক, আমতলী মহাসড়ক ও ঘুঘুরাতলী আঞ্চলিক মহাসড়ক ও চিরিরবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে। ঈদের আমেজ কাটিয়ে প্রিয়জনদের বিদায় জানিয়ে মানুষ ছুটছে রাজধানীর উদ্দেশ্যে।
গত ১৩ জুন শুক্রবার সকাল থেকেই এবং গতকাল ১৪ জুন সকালে রানীরবন্দর মহাসড়ক, আমতলী মহাসড়ক ও ঘুঘুরাতলী আঞ্চলিক মহাসড়ক ও চিরিরবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। পরিবহনগুলো ছিল যাত্রী দিয়ে  পরিপূর্ণ। এতে অনেক যাত্রীকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। উপজেলার অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা রানীরবন্দর ও ঘুঘুরাতলী বাসস্ট্যান্ডে কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, প্রতি বছরই ঈদ শেষে এভাবেই ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়। তারপরেও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য সকল কষ্ট মেনে নিই। মহাসড়কটিতে বিভিন্ন যানবাহনের চাপ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশ যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তৎপর রয়েছে। অনেকেই পরিবার নিয়ে ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছেন। ফলে বাস কাউন্টারগুলোতে টিকিটের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটিকে ঘিরে ঈদের পর মানুষের এই ফিরতি যাত্রা কিছুটা কষ্টকর হলেও আনন্দঘন। কারণ ঈদের আনন্দ শেষে প্রিয়জনদের সান্নিধ্য পেরিয়ে সবাই ফিরছেন নিজ নিজ কর্মস্থলে নতুন উদ্যোমে কাজ শুরুর জন্য।

কয়েকজন বাস কাউন্টার মালিক বলেন, যাত্রীদের চাপ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে। অধিকাংশ বাসের আগাম টিকেটও শেষ হয়ে গেছে। কিছু অতিরিক্ত বাসও চালানো হচ্ছে।

দশমাইল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহা. মনিরুজ্জামান জানান, ঈদের ছুটি শেষে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা নিয়মিত টহল ও নজরদারি করছি। ঈদ শেষে ঢাকামূখী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। মহাসড়কে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সেদিকে আমাদের কঠোর নজরদারি রয়েছে। এখন পর্যন্ত যাত্রা নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবেই চলছে। আমরা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্নক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com