1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্যবসায়ীর কাছে বিএনপির তিন নেতার ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি সোনাতলায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন চিলমারীতে দুই বছরের শিশু হত্যার রহস্য উদঘাটনে সংবাদ সংগ্রহে তিন সাংবাদিককে বাধা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঘাস ব্যবসায়ীর হাত ভাঙা ‎ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ‌ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্যে উজাড় হচ্ছে কুয়াকাটার ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ ‎আলেম সমাজের সঙ্গে আবুল হোসেন মিয়ার মতবিনিময়: ঐক্য, উন্নয়ন ও দ্বীনি মূল্যবোধ জোরদারের আহ্বান কুয়াকাটায় অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্যস্নানে হাজারো ভক্তের সমাগম জামালপুরের ইসলামপুর মন্দিরে ভজন গীত পরিবেশন

এনসিপির সমাবেশে হামলার ঘটনায় কিশোরগঞ্জে সড়ক অবরোধ ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

ফরহাদ হোসেন (স্টাফ রিপোর্টার) কিশোরগঞ্জ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জের ভৈরব-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলার বড়পুল মোড়ে ভৈরব-ময়মনসিংহ রাস্তায় টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এ সময় ভৈরব-ময়মনসিংহ রোডে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোপালগঞ্জে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিকেলে আন্দোলনকারীরা জেলা শহরের কালীবাড়ি মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বড়পুল মোড়ে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় নানা ধরনের প্রতিবাদী স্লোগান দেন তারা। এর ৩৫ মিনিট পর আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করে সড়ক ছেড়ে দেন।

এ সময় ‘গোপালগঞ্জে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই,’ ‘কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপদাদার,’ ‘সারা বাংলায় খবর দে, আওয়ামী লীগের কবর দেয়,’ ‘জুলাইয়ের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার,’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব ফয়সাল প্রিন্স বলেন, ‘গোপালগঞ্জে জুলাই যোদ্ধাদের ওপর আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে ব্লকেড কর্মসূচি চলছে। আমরা দেখেছি গোপালগঞ্জে পুলিশ নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। আমরা বলতে চাই ছাত্র জনতা এখনো রাজপথ ছেড়ে যায়নি।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক ইকরাম হোসেন বলেন, ‘গোপালগঞ্জে এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ আবার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করেছে। তার মধ্যে আবার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের গাড়িতে হামলা করে। নেতৃবৃন্দের আঘাত করার চেষ্টা করেছে। গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এর দায় নিতে হবে। এসব করে কোনোভাবে এনসিপির নেতাকর্মীদের দমানো যাবে না। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমাদের এ অবস্থান।’

প্রসঙ্গত, গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ শেষে ফিরে যাওয়ার সময় সড়ক অবরোধ করে কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে হামলা চালায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে জেলা শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ বাধা দিতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com