1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

এমপিও নামক সোনার হরিন ধরতে গিয়ে শহীদ হতে হয়েছে।

এম,এ,মান্নান
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

জাতি গড়ার কারিগর আজ ঢাকার রাজপথে।শিক্ষক আজ বাংলাদেশে সম্মানের পাত্র সেখানে ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকার শিক্ষককে নিয়ে বিশ্বের মধ্যে কলংকময় অধ্যায় সৃষ্টি করেছিলেন।পেটে ক্ষুধা থাকলে সেই বোঝে ক্ষুধার কি জ্বালা।২০-২৫ বছর ধরে বিনা বেতনে জীবন অতিবাহিত করা শুধুমাত্র শিক্ষকের দ্বারা সম্ভব হয়েছে।শিক্ষক এমন এক জাতি যারা অনেক কিছু মেনে নিতে পারে।একজন চাকুরীজীবি একজন শিক্ষকের হাতে গড়া আর সেই শিক্ষক ঐ ছাত্র দ্বারাই নির্যাতিত।নন এমপিও শিক্ষকগণ বলেন,হাইরে আমার সোনার বাংলাদেশ। যার হাত ধরেই আপনি শিক্ষিত তাকেই আপনি প্রিপার স্প্রে করছেন। পাবনার শিক্ষক আপনাদের কি ক্ষতি করেছিলেন তাকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের পেটুয়া বাহিনী ও নামধারী পুলিশ দ্বারা নন এমপিও শিক্ষকদের নির্যাতিত করলেন অতপর পাবনার ভাইটা মূত্যু কোলে ঢলে পড়লেন কিন্তু ফ্যাসিবাদী সরকারের কেউ একফোটা চোখের পানি ও ফেলেন নি।শিক্ষককে লাঞ্চিত করে হাসিনা সরকার কি লাভ করলেন আল্লাহর রহমত সেই সরকারকে শিক্ষক অপমানের কারনে হয়তবা আল্লাাহর লানদ এর কারনে দেশ কে ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।আন্দোলনরত শিক্ষকগণ বলেন হয়তবা আমাদের প্রানপ্রিয় ভাইকে আল্লাহ জান্নাতের উচ্চ স্থান দান করুন সেই ভাইয়ের পরিবারের মনের কষ্ট ফ্যাসিবাদী হাসিনাকে অপমানিত করেছেন। এখন আমাদের সর্বসম্মতিক্রমে একটায় চাওয়া প্রধান উপদেষ্টা সহ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সাথে যুক্ত স্যাররা যেন দেশের সকল স্বীকৃতি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক/কর্মচারী গনকে একযোগে ঘোষণা দিবেন।আমরা অনেক কষ্ট করে জীবন অতিবাহিত করেছি আর আমরা সংসার চালাতে পারছি না।আমরা নন এমপিও শিক্ষকবৃন্দ তো আপনাদের কাছে অন্যায় আবদার করিনি।শুধু আমাদের প্রাপ্যতা চেয়েছি।বিশেষভাবে প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় একজন উচু মন-মানসিকতার মানুষ বিশ্বে যাকে এক নামেই চেনে আপনি আমাদের বিষয়টি উপলব্ধি করে সমাধান করবেন।ক্লান্ত মন মানসিকতা নিয়ে ক্লাসে ক্লাস করতে গেলে মনে পড়ে ছেলেমেয়েদের মলিন মুখের কথা।

 

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com