1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

করোনায় আক্রান্ত চিকিৎসকদের জন্য পৃথক হাসপাতাল দাবি

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০
  • ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত চিকিৎসকসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে পৃথক হাসপাতাল নির্দিষ্ট করার জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক নেতারা।

 

বৃহস্পতিবার বিএমএ’র সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক এবং সাবেক মহাসচিব ডা. এ. জেড. এম জাহিদ হোসেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সম্মুখযোদ্ধা হচ্ছেন চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা। এরই মধ্যে সহস্রাধিক চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন, মৃত্যুবরণ করেছেন ২১জন চিকিৎসক (করোনা পরীক্ষা শনাক্ত হয়ে ১৭জন ও করোনা উপসর্গ নিয়ে ৪জন) এবং নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট, অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন দেড় সহস্রাধিক। অথচ আজ পর্যন্ত চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের চিকিৎসার কোনো সঠিক ব্যবস্থাপনা করা হয়নি।

এতে বলা হয়- আমরা বিএমএ’র সাবেক নেতৃবৃন্দের পক্ষে অবিলম্বে কভিড-১৯ আক্রান্ত চিকিৎসকসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে পৃথক হাসপাতাল নির্দিষ্ট করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্ততঃপক্ষে বিভিন্ন কভিড-১৯ হাসপাতালে তাদের চিকিৎসার জন্য পৃথক ওয়ার্ড, সজ্জা সুনির্দিষ্ট করা এই মূহুর্তেই জরুরী। অন্যথায় চিকিৎসকসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোবল ধরে রাখা দূরুহ হবে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আমরা চিকিৎসকসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের RT-PCR টেস্ট দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাই। শুধুমাত্র পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতার জন্য অনেক চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী নিজে বিপদের সম্মুখীন হচ্ছেন এবং পরিবার ও অন্যান্য রোগীদের বিপদের কারণ হচ্ছেন। সেই সাথে Rapid Blot টেস্টের অনুমোদন দিয়ে ন্যুনতম সময়ে রোগ শনাক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি করছি।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরকে

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com