1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক বিশ্বকাপ জিতেও মেসির জন্য কাঁদল কুবারসির মন ভারতের ককরোচ পার্টির সংসদ অভিমুখী মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি ১৭০০ কোটি ডলার মশা নিধনে দেশীয় উদ্ভাবনকে গুরুত্ব দিতে আহবান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর হারের পরেও বীরের সম্মান, আর্জেন্টিনায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা অনিরাপদ পথ ব্যবহারের সময় হরমুজে ২টি তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতকে বাংলাদেশের চিঠি

বিশ্বকাপ জিতেও মেসির জন্য কাঁদল কুবারসির মন

Desk report
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসছে স্পেন। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের পর উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কারও উঠেছে পাউ কুবারসির হাতে। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্যের মুহূর্তেও অবশ্য ১৯ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডারের মনে ছিল একটুখানি আক্ষেপ। কারণ, যাকে ছোটবেলা থেকে আদর্শ মানেন, সেই লিওনেল মেসিকেই হারিয়ে বিশ্বকাপ জিততে হয়েছে তাকে।

কুবারসি বলেন, ‘আমি এর আগে কখনো তাকে সামনাসামনি দেখিনি। যখন তিনি আমার সঙ্গে হাত মেলাতে এলেন, তখনই বুঝলাম ঘটনাটি সত্যি। তার সঙ্গে খেলা আমার জন্য বিশাল এক প্রাপ্তি। তিনি আমার আইডল। তিনি হেরে গেছেন বলে আমার খারাপ লাগছে। তবে আমাদের জয়ে আমি অনেক খুশি।’

মেসির প্রতি আবেগ থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে কোনো ছাড় দেননি বার্সেলোনার এই সেন্টারব্যাক। ফাইনালে বল দখল, পাসিং এবং রক্ষণ ব বিভাগেই ছিলেন অনন্য। ম্যাচে তিনি ১২৬টি পাস দিয়েছেন, যার মধ্যে ১২১টিই ছিল সফল। ৯৬ শতাংশ নিখুঁত পাসের এই পরিসংখ্যান একজন ডিফেন্ডারের জন্য অসাধারণ।

শুধু নিজেদের রক্ষণ সামলানো নয়, আক্রমণ গড়ার কাজেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন কুবারসি। প্রতিপক্ষের অর্ধে দেওয়া ৪৮টি পাসের মধ্যে ৪৫টিই সফল ছিল। নিজেদের অর্ধে ৭৮টি পাসের ৭৬টিই পৌঁছেছে সতীর্থদের পায়ে। পুরো ম্যাচে তিনি ১৩৯ বার বল স্পর্শ করেছেন, যা স্পেনের বিল্ডআপে তার প্রভাবেরই প্রতিফলন।

লম্বা পাসেও ছিল তার কার্যকারিতা। চারটি দূরপাল্লার পাসের দুটি সফল হয়েছে। পাশাপাশি একটি ‘কি পাস’ দিয়েছেন এবং প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও নিয়েছেন। কখন রক্ষণ থেকে উঠে আক্রমণে যোগ দিতে হবে, সেই সিদ্ধান্তেও ছিল পরিপক্বতার ছাপ।

রক্ষণভাগে কুবারসির আধিপত্যও ছিল চোখে পড়ার মতো। ১২০ মিনিটের পুরো ম্যাচে তিনি মাত্র পাঁচবার বলের দখল হারিয়েছেন। ছয়বার ক্লিয়ারেন্স করে বিপদমুক্ত করেছেন স্পেনকে, পাঁচবার বল পুনরুদ্ধার করেছেন। আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের সঙ্গে ১০টি দ্বৈরথে জিতে নিয়েছেন সাতটিতে। বল নিয়ন্ত্রণে এতটাই স্বচ্ছন্দ ছিলেন যে তাকে থামাতে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের তিনবার ফাউল করতে হয়েছে।

বিশ্বকাপ জয়ের পরও সবকিছু যেন স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে কুবারসির কাছে। ম্যাচ শেষে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘সবকিছু কেমন যেন অবাস্তব মনে হচ্ছে। এই দারুণ অভিজ্ঞতার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। রেফারি যখন শেষ বাঁশি বাজালেন, আমাদের মনে হলো আমরা ইতিহাস গড়ে ফেলেছি। আমি সব সময়ই বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন দেখতাম। কিন্তু কখনো ভাবিনি নিউইয়র্কে এসে সোনালি ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরব। ভাবলেই আমার এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না।’

বার্সেলোনার হয়ে খেলেন কুবারসি। প্রায় দুই দশক আগে এই ক্লাবই আবিষ্কার করেছিল ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসিকে। সেই ক্লাবেরই বর্তমান তরুণ ডিফেন্ডার হিসেবে নিজের শৈশবের আদর্শকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা তার কাছে তাই আরও বেশি আবেগের।

স্পেনের এই বিশ্বজয়ের পেছনে কোনো একক নায়কের অবদান দেখছেন না কুবারসি। তার মতে, দলের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল পারস্পরিক বিশ্বাস ও ঐক্য। কুবারসি বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টে আমাদের কঠিন সব দলের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কিন্তু আমরা একটা পরিবারের মতো খেলেছি। আর সেই বন্ধনের কারণেই আমরা আজ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।’

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com