1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

কৃষকরা মাঠে ধান ফলানোর দৃশ্য মনে করিয়ে দেয় “বাংলাদেশ আমাদের সোনার বাংলাদেশ”

এম,এ,মান্নান,নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
  • ১৯১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। প্রাচীনকাল থেকেই এই দেশের মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান। দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে ধান চাষ করা হয়, আর এই ধান থেকেই চাল উৎপন্ন হয়। তাই একে বলা হয় ধানের দেশ।

বাংলাদেশের উর্বর মাটি, অনুকূল আবহাওয়া এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ধান চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। আমাদের কৃষকরা ভোর থেকে রাত পর্যন্ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে ধান ফলান। তারা রোদ-বৃষ্টি, ঝড়-ঝঞ্ঝা উপেক্ষা করেও মাঠে কাজ করেন। তাঁদের এই কঠোর পরিশ্রমেই বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যের চাহিদা পূরণ হয় এবং অর্থনৈতিক চাকা সচল থাকে।

ধান শুধু খাদ্য হিসেবে নয়, অর্থনীতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশের বহু মানুষ ধান চাষ, পরিবহন ও বিক্রির সাথে জড়িত। এছাড়াও ধানের খড় পশুর খাদ্য ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ধান আমাদের সংস্কৃতিতেও এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।তাই বলা হয়, “ধান আমাদের প্রান,কৃষক আমাদের গর্ব”কৃষকদের অবদানে আজ বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তাদেরই কঠোর পরিশ্রমের কারণে বাংলাদেশকে সোনার দেশ বলা হয়। আমাদের উচিত এই পরিশ্রমী কৃষকদের যথাযথ সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com