1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদূদ ভুঁইয়ার প্রতিপক্ষ নিজ দলের কিছু সুবিধাবাদী

মো: ইসমাইল হোসেন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে
২৫ বছর বয়স থেকে প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলতে জ্বলতে আজকের ওয়াদুদ ভুঁইয়া। তিনি যখন কমবয়সে এমপি ইলেকশন করেন তখন এ খাগড়াছড়িতে অনেক মুরব্বি ছিলেন। সবাই তাঁকে প্রতিপক্ষ হিসেবে নিলেন। আপনজন ও একজন শিক্ষানবীশ রাজনীতিক হিসেবে তাকে কেউ মেনে নিতে পারেননি। রাজনীতি করা তারও যে অধিকার সেটা বেমালুম ভুলে গেলেন। তাকে নানা সময়ে বাঙালিপন্থী সাম্প্রদায়িক নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করা হতো। তার জনপ্রিয়তা বিভক্ত  করার জন্য আদি বাঙালি নামে নতুন এক সম্প্রদায়েরও আবির্ভাব হয়েছিলো। জনশ্রুতি আছে যে,  সন্তু লারমার সহযোগিতায়  এ সম্প্রদায় এসব বিভক্তি রেখা টানতো। প্রতিটি নির্বাচনে তাকে হারানো হতো, আবার তিনি অল্প ভোটে হেরে যেতেন।
তিনি হেরে যেতেন ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে পড়ে। একদিকে বাঙালিদের মধ্যে হিন্দু, বড়ুয়া, মুসলিম বিভাজন এবং বাঙালিদের বহু প্রার্থীতা ভিতরের পার্টির টাকা খেয়ে। আবার পাহাড়িদের একচেটিয়া ভোট নৌকায়।। এভাবে নানামুখী ষড়যন্ত্র ও ইকুয়েশন করা হতো। সবার একটাই উদ্দেশ্য, মুখ পোড়া সাহসী ঐ অদুদ ঠেকাও। ঠেকাতে ঠেকাতে উনি অতিষ্ঠ। উনিওতো মানুষ। আর কত! তিনিও জবাব দিতে লাগলেন। স্বাভাবিকভাবে ষড়যন্ত্রতারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠলো।
উনিও কম যান না। সবার সাথে ঐক্যের চেষ্টা করে গেছেন আবার যারা এ পাহাড়, সেনাবাহিনী ও দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করতেন তাদের সাথে হার্ড লাইনেও গেছেন। কারন, তিনি নিরুপায়।। কেউ তাকে মেনে নিতে পারে না। অনেকের হয়তো ব্যথা, এতবছর পাহাড়ে থেকেও এত জনপ্রিয় হতে না পারা। আর এই ডেগা পোয়া এত জনপ্রিয়! ন অইবো, তারে ঠেকা।
 এভাবে জ্বলতে জ্বলতে উনি অঙ্গার। তাই উনিও সহ্য করতে না পেরে মুখেরও লাগাম টেনে ধরতে পারেন না। মুখটাই তার কাল। এত প্রতিকূলতার মাঝেও প্রবল জনপ্রিয়তা অর্জন চাট্টিখানি কথা না। কিন্তু কিছু মানুষ বার বার তাকেই প্রতিপক্ষ বানাতে চায়। এ জন্য আবার তিনি মুখে কথা বলে ফেলেন। কিছু মানুষ এটাকে তার দূর্বলতা হিসেবে বাজারে ব্যবসা করতে চায়। আমি মনে করি, তারাও জানে যে, কিভাবে রাজনীতি করতে হয় তা মি. অদুদ জানেন। তারপরও টাকার লোভে ফেইক আইডি খুলে, বা নানামুখী রংঢং কথা বলে ওনাকে  রাজনৈতিক মাঠে ফেলে দিতে চায়। মানে ভোটের রাজনীতিতে ফেল করাতে। এখানেই আমার দুটি কথা:
১. উনি হারতে হারতে প্রতিকূল পরিবেশ এমপি হয়ে
     উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান হয়েছেন।
২. ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে করতে সেই ছোট্ট বেলার
     ঝাঁকড়া চুলের অদুদ জানু খেলোয়াড় হয়েছেন।
সুতরাং, দূর্বলচিত্তের লোকদের ফাঁদে পা দিয়ে নব্য বা পুরান কারও কথা শুনে ওনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলে কাজ হবে না। এখন পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়ের কাছে উনিই সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। যারা ওনার প্রবল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তারা মনমালিন্য বা রাজনৈতিক রেষারেষির কারনে ষড়যন্ত্র বা সমালোচনা করতে পারেন ওনার। কিন্তু বিগত ১৬ বছর ধরে ওনার দল ও নেতা কর্মীদের সাথে করা ব্যবহারের জন্য তাঁরাও আসলে নিশ্চয়ই আজ দূরে বা কাছে থেকেও অনুতপ্ত। কিন্তু কিছু নব্য কিছু রাজনীতিক হঠাৎ হাটতে শিখার পরপরই  দৌড়ানো শিখার আগেই ল্যাং মারামারি করার জন্য হুদাই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। তবে তা সুন্দর দেখায় না। মি. অদুদের কথাবার্তা আপনার পছন্দ না হতে পারে। কিন্তু প্রতিপক্ষ না ভেবে একজন  রাজনীতিক হিসেবে কিভাবে তিনি পাহাড়ি বাঙালি নানা ইস্যু মোকাবিলা করে টিকে আছেন সেটা থেকে হলেও একটু শেখার বা কৌশল জানার চেষ্টা করুন। আমি বলছি, ওনারতো অবশ্যই ভালো দিক আছে। অন্ততঃ ভালো দিকওতো আমরা আগামী পথ চলার অনুপ্রেরণা হিসেবে নিতে পারি। শুধু টেনেটুনে দল চালিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় গরমাগরম বক্তব্য দিলেই কী ৪৫ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে মি. অদুদ এর?
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com