1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টার এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’: ঝুঁকিতে চিকিৎসক-নার্স, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময়

গাজীপুরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪
  • ৪৭৪ বার পড়া হয়েছে
গাজীপুর কালিয়াকৈর এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারে দগ্ধদের আরও ২ জন মারা গেছে। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন দগ্ধ ইয়াসিন আরাফাত ও রাত সাড়ে ৯টায় মশিউর রহমান মারা যান। এ ঘটনায় এ নিয়ে ১৩ জন মারা গেলো।মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম জানান, ইয়াসিনের শরীরের ৬২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। গতকাল সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। মশিউরের শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। ঘটনাটিতে এখন পর্যন্ত ১৫ জন রোগী ভর্তি আছে।
ইয়াসিনের মামা মো. লিটন জানান, তাদের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার খোকসা থানার গবুগ্রামে। বাবার নাম মো. আল আমিন। বাবা-মা পরিবার নিয়ে কালিয়াকৈরে তেলিরচারা এলাকায় থাকতেন। ইয়াসিন একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।মশিউরের ভাই সানোয়ার হোসেন জানান, তাদের বাড়ি লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার পারুলিয়া গ্রামে। বাবার নাম হামিদুল মিয়া। স্ত্রী শাহানা আক্তারকে নিয়ে কালিয়াকৈরে ভাড়া থাকতেন। স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ঘটনার দিন গার্মেন্টসে কাজ শেষ করে বাসায় ফিরছিল। বাসার সামনে জটলা দেখে সেখানে গেলে গ্যাসের আগুনে দগ্ধ হয়।
এর আগে গত ১৩ মার্চ বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে বের হওয়া গ্যাসের সঙ্গে রান্না করা আগুনের সংস্পর্শ হয়। এতে হঠাৎই আগুন লেগে তা ছড়িয়ে গেলে ৩৬ জন দগ্ধ হয়। তাদের উদ্ধার করে ৩২ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে ১৬ জনের শরীরে ৫০ ভাগের বেশি বার্ন ছিল। অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও ছিল। অগ্নিদগ্ধদের মধ্য থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মারা গেছে।(সূত্র;রাইজিংবিডি)
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com