1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তদন্তে মিলল না জামায়াত নেতার দাবি, চাঁদাবাজির অভিযোগই জোরালো ডুবন্ত পণ্যবাহী কার্গোতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশের সন্দেহ নোবিপ্রবিতে শহীদুল্লা কায়সারের সাহিত্যকর্ম বিষয়ক সেমিনার মন্ত্রীর পেছনে আমরা টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের জামিন জনতা ব্যাংক কাদিরগঞ্জ শাখার এটিএম বুথের উদ্বোধন বাজেটে মোট ঘাটতি দুই লাখ কোটি টাকা, কমছে সরকারি ব্যয়: সংসদে অর্থমন্ত্রী কোটি কোটি মানুষ ক্ষুধার্ত, আর এক খেলার পেছনে গোটা পৃথিবীর উন্মাদনা: আহমাদুল্লাহ আরও ২,৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার পেল ইসলামী ব্যাংক ‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি নেত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ

মো,আব্দুল্লাহ আল মামুন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহনাজ খাতুনকে গ্রেপ্তারের পর শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সোমবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শাহনাজ খাতুন নিজেই এ অভিযোগ করেন।
শাহনাজ খাতুন ভোলাহাট উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে শাহনাজ খাতুন দাবি করেন, গত ২৮ জুন রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসার সময় একটি নির্জন স্থানে পুলিথশের গাড়ি থেকে নামিয়ে তাকে নির্যাতন করা হয়। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসিন আরাফাত বেতের লাঠি দিয়ে মারধর করেন। ভোলাহাট থানার ওসি শহীদুল ইসলাম তাকে জড়িয়ে ধরে শ্লীলতাহানীর করেন। একই সঙ্গে তার সঙ্গে আরও কুরুচিপূর্ণ আচরণ করা হয়। পরে তাকে আনা হয় সদর পুলিশ ফাঁড়িতে। সেখানেও আরেক দফা হাতে চোখে কাপড় বেঁধে ও হ্যাণ্ডকাপ পরিয়ে শারীরিক নির্যতন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শাহনাজ খাতুন বলেন, আমি একজন নারী হওয়া সত্ত্বেও পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তারা আমাকে নির্যাতন করেছেন। নির্যাতন শেষে গ্রেপ্তারের ১৯ ঘণ্টা পর আমাকে আদালতে তোলা হয়। পরবর্তীতে ১০ জুলাই আদালতে জামিন পেয়ে তিনি মুক্ত হোন। গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের সব কিছুই হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপারের নির্দেশে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে পুলিশ সুপার রেজাউল করিম দাবি করেন, ভোলাহাট থানার একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হওয়ায় গ্রেপ্তার করা হয় শাহনাজ খাতুনকে। গ্রেপ্তারের পর তাকে কোন ধরনের নির্যাতন করা হয় নি।
গ্রেপ্তারের সময় তিনি রাস্তার উপর শুয়ে পড়েছিলেন, তাই অতিরিক্ত পুলিশ দিয়ে তাকে উঠিয়ে আনা হয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com