1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

চাকরিতে পুনর্বহাল ও সার্ভিস বেনিফিটের দাবিতে বিবিএস ক্যাবলের শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি

ফরহাদ মৃধা গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫
  • ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের শ্রীপুরে চাকরিতে পুনর্বহাল অথবা সার্ভিস বেনিফিট দিয়ে চাকরিচ্যুতি নিশ্চিত করাসহ ১১ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিবিএস ক্যাবল লিমিটেডের শতাধিক শ্রমিক।
শনিবার (১৪ জুন) সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত তেলিহাটি ইউনিয়নের শ্রীপুর-জৈনা আঞ্চলিক সড়কের পাশে শান্তিপূর্ণভাবে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রমিকদের অভিযোগ, গত ঈদুল ফিতরের পর ১৮ জন এবং ঈদুল আজহার আগ মুহূর্তে আরও ১২ জন শ্রমিককে পূর্ব ঘোষণা ছাড়া চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তারা জানান, ঈদের ছুটিতে যাওয়ার পরই হঠাৎ জানতে পারেন, তাদের আর চাকরি নেই। কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়া ছাঁটাই করায় তারা একে শ্রম আইন লঙ্ঘন বলেই দাবি করছেন।

চাকরিচ্যুত শ্রমিক আকরাম হোসেন অনিক বলেন, “আমরা প্রায় দশ বছর ধরে এই কারখানায় কাজ করছি। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার পরও কর্তৃপক্ষ জুন মাসের অগ্রিম বেতন দিয়ে আমাদের বাধ্যতামূলকভাবে ছয় মাসের ছুটিতে পাঠিয়েছে, তাও বিনা বেতনে। আমরা শুধু ন্যায্য অধিকার চাই—চাকরিতে পুনর্বহাল অথবা সার্ভিস বেনিফিট দিয়ে চাকরিচ্যুতি নিশ্চিত করতে হবে।”

আরেক শ্রমিক কাওছার বলেন, “আমাদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কোনো নোটিশ বা কারণ ছাড়াই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, আইন অনুযায়ী আমাদের প্রাপ্য দেওয়া হোক।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন কাজ করা শ্রমিকদের শুধু বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্ন তোলায় বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে শ্রমিকরা শনিবার অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধনে অংশ নেন।

এ বিষয়ে কারখানার পক্ষ থেকে জানানো হয়, শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ১২ জন শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তবে প্রোডাকশন কমে যাওয়ায় কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রয়োজন দেখা দেয়। ভবিষ্যতে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হলে, ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হবে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, “মালিক পক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা এলে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতার চেষ্টা করা হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com