1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্যবসায়ীর কাছে বিএনপির তিন নেতার ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি সোনাতলায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন চিলমারীতে দুই বছরের শিশু হত্যার রহস্য উদঘাটনে সংবাদ সংগ্রহে তিন সাংবাদিককে বাধা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঘাস ব্যবসায়ীর হাত ভাঙা ‎ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ‌ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্যে উজাড় হচ্ছে কুয়াকাটার ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ ‎আলেম সমাজের সঙ্গে আবুল হোসেন মিয়ার মতবিনিময়: ঐক্য, উন্নয়ন ও দ্বীনি মূল্যবোধ জোরদারের আহ্বান কুয়াকাটায় অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্যস্নানে হাজারো ভক্তের সমাগম জামালপুরের ইসলামপুর মন্দিরে ভজন গীত পরিবেশন

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা

আব্দুল্লাহ আল মামুন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৮৫ বার পড়া হয়েছে
‎’অভয়আশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
‎আজ সোমবার সকাল ১০ টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ও মৎস অধিদপ্তরের আয়োজনে চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে র‍্যালি শুরু হয়ে শহরের কোর্ট মোড় ঘুরে আবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
‎র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বেলাল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজানুর রহমান।
‎অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান বলেন, মৎস্য চাষীদের বক্তব্যের মাধ্যমে যে সমস্যার কথাগুলো উঠে এসেছে তা হয়তো আমরা এখানে বসে সমাধান করতে পারব না তবে জাতীয় পর্যায়ে সমস্যা গুলোর কিভাবে সমাধান করা যায় সেই তথ্য আমরা প্রেরণ করতে পারি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের মৎস্য কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সকল মৎস্য চাষীদের সমস্যা গুলোর সমাধান উপস্থাপন করা হবে। অনেক ক্ষেত্রেই হয়তো জনবল সংকট থাকে, মৎস্য খাতে জনবল রয়েছে সেই জনবল দিয়েই যতটুকু কাজ সম্পন্ন করা যায় তাই করতে হবে। মৎস্য চাষ ও কৃষি ক্ষেত্রে অত্যাধিক মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করা থেকে সকলকে বিরত থাকতে হবে। এতে করে ভক্ষণ যোগ্য মাছ নিরাপদে আহার করা যাবে।
‎তিনি আরো বলেন, মাছের খামার গুলোকে ক্রোমিয়াম বা ভারী ধাতু দ্বারা কোটিং করা হচ্ছে এতে করে মাছের পেটে ওই ভারী ধাতুগুলা যাচ্ছে এবং এগুলো মানুষ ভক্ষণের মাধ্যমে নানান রকম শারীরিক জটিলতায় ভুগছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করা এবং জেলা পর্যায়ে এ সকল সমস্যা গুলো নিরসনে মৎস্য চাষীদের অবগত করতে হবে।
‎জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, মাছ আমাদের জীবন জীবিকার সাথে জড়িত। মানুষের কর্মসংস্থান ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে মাছের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের মোট জিডিপির ২.৫ শতাংশ মৎস্য খাত থেকে পূরণ হয়। কৃষির জিডিপির ০. ৮৭ শতাংশ মৎস্য খাত থেকে পূরণ হয়। বৈদেশিক মুদ্রা ও কর্মসংস্থানে প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাছের সাথে জড়িত। বাংলাদেশ বিশ্বে মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয়। প্রায় ৪৬০ প্রজাতির মাছ বাংলাদেশে পাওয়া যায়। মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে। ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশে ১ম ও তেলাপিয়া উৎপাদনে ৪র্থ স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যেমন বেড়েছে ক্যাবের রিপোর্ট অনুযায়ী মাছের দাম তুলনামূলক কম বৃদ্ধি পেয়েছে। মৎস চাষী পর্যায়ে বিভিন্ন প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে যা দেশের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ও মৎস্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে।
‎অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, জেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাবলু, সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইকরামুল হক ইকরা প্রমুখ।
‎অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ৪ জন চাষির হাতে ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
‎অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার আশফাকুর রহমান, সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল নাঈম, এবি পার্টি চুয়াডাঙ্গা জেলা সভাপতি আলমগীর হোসেন, জেলা জাসাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, এবি পার্টি জেলা সাধারণ সম্পাদক আলী রুসদী আহমেদ (মজনু), চুয়াডাঙ্গা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের মৎস্য চাষী ও ব্যাবসায়ীরা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com