1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তদন্তে মিলল না জামায়াত নেতার দাবি, চাঁদাবাজির অভিযোগই জোরালো ডুবন্ত পণ্যবাহী কার্গোতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশের সন্দেহ নোবিপ্রবিতে শহীদুল্লা কায়সারের সাহিত্যকর্ম বিষয়ক সেমিনার মন্ত্রীর পেছনে আমরা টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের জামিন জনতা ব্যাংক কাদিরগঞ্জ শাখার এটিএম বুথের উদ্বোধন বাজেটে মোট ঘাটতি দুই লাখ কোটি টাকা, কমছে সরকারি ব্যয়: সংসদে অর্থমন্ত্রী কোটি কোটি মানুষ ক্ষুধার্ত, আর এক খেলার পেছনে গোটা পৃথিবীর উন্মাদনা: আহমাদুল্লাহ আরও ২,৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার পেল ইসলামী ব্যাংক ‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য

ঝড় বৃষ্টিতে শিশুদের বুকে নিয়েই কাটল পুশইন হওয়া ১০ জনের নির্ঘুম রাত

লক্ষ্মন রায়   
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড় সদর উপজেলার বড়বাড়ি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইন করা ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশুর করুণ মানবিক পরিস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সীমান্তের জিরো লাইনে অনিশ্চয়তা আর আতঙ্কের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাটাতে হয়েছে তাদের পুরো রাত।
শুক্রবার (৫ জুন) ভোরে সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫৮-এর ৫ নম্বর সাব-পিলার এলাকা দিয়ে কাঁটাতারের বেড়া পার করে নারী ও পুরুষসহ মোট ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। স্থানীয় সূত্র জানায়, ভারতের টিয়াপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পের (৯৩ ব্যাটালিয়ন) সদস্যরা তাদের সীমান্ত অতিক্রম করিয়ে দেয়।
তবে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বড়বাড়ি ক্যাম্পের টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাধা দিলে পুশইন হওয়া ব্যক্তিরা সীমান্তের জিরো লাইনে অবস্থান নেয়। এ সময় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ঘটনার পর সমাধানের লক্ষ্যে বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওই বৈঠকে কোনো সমাধান না হওয়ায় বিষয়টি অনিষ্পন্ন থেকে যায়। জানা গেছে, শনিবার (৬ জুন) পুনরায় দুই বাহিনীর মধ্যে আরেকটি পতাকা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে শুক্রবার রাতটি ছিল পুশইন হওয়া মানুষগুলোর জন্য এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা। রাতভর বজ্রসহ বৃষ্টি আর দমকা হাওয়ার মধ্যে শিশুদের বুকে জড়িয়ে খোলা আকাশের নিচে কাটাতে হয়েছে তাদের সময়। মাথার ওপর ছিল না কোনো ছাদ, সামনে ছিল না কোনো নিশ্চিত গন্তব্য। সীমান্তের দুই দেশের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা এসব মানুষের চোখে ছিল অনিশ্চয়তার ছাপ, আর শিশুদের মুখে ছিল আতঙ্ক ও ক্লান্তির ছায়া।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ঘটনাটি স্থানীয়দেরও ব্যথিত করেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতার মাঝে নিরীহ নারী, পুরুষ ও শিশুদের এমন দুর্ভোগ আর কতদিন সহ্য করতে হবে। এখন সবার দৃষ্টি শনিবারের পতাকা বৈঠকের দিকে, যেখানে এই অসহায় মানুষগুলোর ভাগ্য নির্ধারণ হতে পারে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com