1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাহিদের জোড়া আঘাত, পাওয়ার প্লেতে নিউজিল্যান্ডকে চাপে রেখেছে বাংলাদেশ মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডিবি প্রধান হলেন শফিকুল ইসলাম

সাখোওয়াত শেখ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৮৪ বার পড়া হয়েছে
ডিআইজি শফিকুল ইসলামকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৭ আগষ্ট) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ পদায়ন করা হয়।
শফিকুল ইসলাম শিলু ১৮তম বিসিএস ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। এর আগে তিনি ডিআইজি হিসেবে হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন।
চলতি বছরের ১২ এপ্রিল ডিবিপ্রধামের দায়িত্ব থেকে রেজাউল করিম মল্লিককে সরিয়ে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি করা হয়েছিল। এরপর থেকে একজন যুগ্ম-কমিশনার পদমর্যাদার কর্মকর্তা এই ইউনিটের দায়িত্বে ছিলেন।
শফিকুল ইসলামের বাড়ি বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায়। তিনি সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের মথুরাপাড়া গ্রামের সন্তান। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ১৯৯৯ সালে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে যোগদান করে পেশাগত জীবন শুরু করেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি লক্ষ্মীপুরে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com