1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যা: বাবা হারানো শোকে কাটছে ছেলের প্রথম জন্মদিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই: তথ্যমন্ত্রী উলশী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগাম জামিন পেলেন জামায়াতের এমপি আমির হামজা আর্থিক সংকটে পড়েছে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

ডোমার পৌরসভা কাঁচাবাজার নির্মাণে ধীরগতি,ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

আবরার আলভী
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩০৪ বার পড়া হয়েছে

ডোমার পৌরসভা কাঁচা বাজার মার্কেটে নবনির্মিত ভবনে এক বছর হতে চললেও নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৩৫%। নির্মাণ কাজের ধীরগতির কারণে জনগণের দুর্ভোগ চরমে। নতুন হস্তান্তরযোগ্য স্থানে জায়গা না হওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী রাস্তায় দোকান খুলে বসেছে। যার কারনে, যানজট সৃষ্টি হচ্ছে ব্যাপক। সামান্য বৃষ্টির পানিতেই তলিয়ে যাচ্ছে দোকান। কাঁচামাল ব্যবসায়ী রাশেদ ইসলাম দৈনিক দেশবুলেটিনকে বলেন, বহুদিন হতে চলল প্রথম অবস্থায় নির্মাণ কাজ অগ্রগতি সন্তুষ্ট জনক ছিল। কিন্তু, পরবর্তীতে স্বৈরাশাসক  আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর কাউকে দেখতে পাওয়া যায়নি। ক্রেতা বিলকিস বেগম বলেন, আগে কাঁচামাল দোকানে শাকসবজি ভালো-মন্দ দেখে,দেখে নেওয়া যেত, এখন জায়গা সংকুলন না হওয়ায় ভীড় হয় খুব ঠেলাঠেলিতে ঠিকভাবে পণ্যই  নিতে পারি না আমরা। কাঁচা বাজার নবনির্মিত নির্মানাধীন প্রকল্প স্থানে  সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কোন নির্মাণ শ্রমিক নেই। নির্মাণ সরঞ্জাম যেখানে সেখানে পড়ে রয়েছে। খবর নিয়ে জানা যায়, ডোমার কাঁচা বাজার মার্কেট  নির্মাণের তদারকির দায়িত্ব পেয়েছেন ডোমার উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। ডোমার উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের ULO ওসমান গনি দৈনিক দেশবুলেটিনকে বলেন, ২০২৪ সালে ডোমার কাঁচা বাজার নির্মাণের দায়িত্ব দেয়া হয় যশোরের  নুর কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে নির্মাণ কাজ শেষ না করেই চলে গেছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। জানা যায়, একটি প্যাকেজের মাধ্যমে পাঁচটি কাঁচা বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের দায়িত্ব পায় নূর কনস্ট্রাকশন নামের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ৮ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকায়। প্রকল্পের মেয়াদ আছে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত। নির্মাণ কাজে ধীর গতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নুর কনস্ট্রাকশনের এমডি জিহাদ ইসলাম দৈনিক দেশবুলেটিনকে বলেন , লেবারের ঘাটতি থাকার কারণে,নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল। অতি শীঘ্রই আবারো চালু করা হবে। প্রকল্পের মেয়াদের আগে নির্মাণ কাজ শেষ করা যাবে ? এই প্রশ্নের জবাবে জিহাদ ইসলাম বলেন, আমরা চেষ্টা করতেছি, অতি শীঘ্রই জুন মাসেই মার্কেট নির্মাণের কাজ শেষ করে, সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। কাঁচা বাজার মার্কেট নির্মাণ কাজের ধীর গতির কারনে ক্ষোভের সঞ্চয় হয়েছে এলাকাবাসীর মনে। এই বিষয়ে এলাকাবাসী আবুল হাসনাত কদম দৈনিক দেশবুলেটিনকে বলেন, যেভাবে ধীর গতিতে কাজ করতেছে তাঁরা, মনে হয় আরো তিন বছর সময় লাগবে নির্মাণ কাজ শেষ হতে। এলাকাবাসীর দাবি জানায়, অতি শীঘ্রই লোক বলয় বৃদ্ধি করে দ্রুত ডোমার কাঁচা বাজার নির্মাণ কাজ শেষ করে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হোক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com