1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

ড. ইউনূস কাঁদলেন গরিবদের কথা বলতে গিয়ে

Aminul Islam
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩৫৬ বার পড়া হয়েছে

৭৫ হাজার ডলার ফি’র বক্তা—আজ বাংলার দরিদ্র মানুষের জন্য অশ্রুসিক্ত বিশ্বজুড়ে তিনি পরিচিত একজন নোবেল বিজয়ী, একজন সমাজসংস্কারক। বিশ্বের বহু দেশে লাখো মানুষের সামনে বক্তৃতা দিয়েছেন, পেয়েছেন সম্মাননা ও অর্থ—একটি বক্তব্যের জন্য পারিশ্রমিক ৭৫ হাজার ডলার! কিন্তু কখনো তাকে ভেঙে পড়তে দেখা যায়নি। আজ সেই ইতিহাস পাল্টে গেল। আজ কাঁদলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এটা কোনো নাটক নয়, স্বজন হারানোর কান্নাও নয়—এ কান্না একজন দেশপ্রেমিকের, একজন মানবতাবাদের, দেশের গরিব মানুষদের জন্য বুকে জমে থাকা দীর্ঘশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ। “আমি পৃথিবীর অনেক দেশে গেছি, অনেক কিছু দেখেছি। কিন্তু নিজের দেশের গরিব মানুষগুলোর মুখ চোখের সামনে ভেসে উঠলেই বুকটা ভেঙে যায়,”—বলতে বলতেই থেমে গেলেন ড. ইউনূস। তখন তাঁর চোখ দিয়ে ঝরছিল অশ্রু। ড. ইউনূসকে ঘিরে বর্তমানে চলছে নানা বিতর্ক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলেই মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা। এ নিয়ে যখন অনেকে মুখ খুলতে ভয় পান, তখন তাঁর কান্না যেন এক শব্দহীন প্রতিবাদ। সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে নিয়ে পোস্ট করলে হয়তো দেখা যায় কিছু ‘হা হা’ রিয়্যাক্ট—মনে হয় বিরিয়ানির মাঝে কিছু এলাচি। তাই বলে কি পুরো বিরিয়ানিটাই ফেলে দিতে হবে? বাংলাদেশ বহুবার সরকার পতনের আন্দোলন দেখেছে। এবার বিশ্ব দেখবে, সরকার রক্ষার আন্দোলন—ন্যায়ের পক্ষে, মানবতার পক্ষে, ড. ইউনূসের পক্ষে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com