1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজপথের দুই যোদ্ধা এবার ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে: ফরিদপুর ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক সাহেদুল, সদস্য সচিব সজল নেত্রকোনায় কারারক্ষীর বাড়িতে হামলা-লুটপাাটের অভিযোগ দায়ের দেখার কেউ নেই মাধবপুর কৃষি জমি, নদী, ছড়া, থেকে বালুমাটি লুট পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রংপুরে নবনির্বাচিত ৬ সংসদ সদস্যের সাথে জেলা প্রশাসনের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সোনালী ব্যাংকের ওয়াশরুম থেকে টাকা চুরির ঘটনায় ৩ জন গ্রেফতার মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে সংসদ সদস্য, সেবার মানোন্নয়নে কড়া নির্দেশনা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পিরোজপুরে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির ‘মহোৎসব’, বিপন্ন ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা, জাতির মেরুদণ্ড কি আজ রুগ্ন? গাইবান্ধায় ২৫ শে মার্চ গণহত্যা ও ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে প্রস্তুুতিমুলক সভা।।

দলিল আটকে দেওয়ার নামে ৩৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণের আংটি নেওয়ার অভিযোগ

ফিরোজ কবির
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে
‎ 
‎গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দলিল আটকে দেয়ার কথা বলে নগদ ৩৩ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণের আংটি নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সাব রেজিস্টার নাজমুল হুদা ও তার পিয়ন আবদুস সালাম মিয়ার বিরুদ্ধে।
‎তথ্যে জানা যায়, বিউটি বেগমের বাবার বাড়ি বরিশাল। ১৯৮৮ সালে বিয়ে করেন তিনি রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার ইমাদপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর দিগর গ্রামের শ্রী বকুল ঘোষকে। বিয়ে আগেই অবশ্য স্বামী নওমুসলিম হলে নাম রাখা হয় বাবলু মিয়া। পরবর্তীতে ২০১১ সালে ২ একর জমি বিউটি বেগমকে দলিল করে দেন তার শ্বশুর মদন মোহন ঘোষ। স্বামী সৌদিতে থাকতেন। সেখানেই তিনি ২০১৫ সালে মারা যান। পরবর্তীতে বিউটি বেগমের শ্বশুর ও তার বাড়ির লোকজন অন্যত্র চলে গেলে তিনি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নে আশ্রয় নেন। ২ ছেলে ও ১ মেয়ে ছাড়া নিজস্ব বলতে কেউ নেই এখানে বিউটি বেগমের।
‎সাবরেজিস্টার অফিস সূত্রে জানা গেছে, দলিল হওয়া জমির পরিমাণ ১ একর সাড়ে ১৪ শতাংশ। গত মাসের ৯ তারিখে দলিলটি পার হয়েছে। দলিল নং ১৪০৪। দাতা মৃত অক্ষয় কুমার ঘোষের ছেলে মদন মোহন ঘোষ। গ্রহিতা মৃত কছিম উদ্দিন ব্যাপারীর ছেলে হাবিবুর রহমান। গ্রহিতার বাড়ী সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়।
‎ভুক্তভোগী বিউটি বেগম বলেন, এখানে আমার আপনজন বলতে তেমন কেউ নেই। সেই সুবাদে হাবিবুর রহমান আমার জমি দলিল করি নেয়ার চেষ্টা চালান। বিষয়টি জানতে পেয়ে আমি সাবরেজিস্টার অফিসে দলিল ঠেকানোর জন্য যাই। তখন এ অফিসের পিয়ন আবদুস সালাম মিয়া বলেন টাকা দিলে দলিল ঠেকানো যাবে। এতে আমি রাজি হই এবং টাকা দেয়া শুরু করি। ২০ হাজার, ১০ হাজার, ৫ হাজার করে এ পর্যন্ত আবদুস সালাম মিয়াকে আমি ৩১ লক্ষ টাকা দিয়েছি। আমার হাতে একটা স্বর্ণের আংটি ছিলো সেটাও সালামকে দিয়েছি। কয়েকদিন আগে এ অফিসের সাবরেজিস্টার অফিসারকেও ২ লক্ষ টাকা দিয়েছি। এখন শুনতে পেলাম জমির দলিল নাকি পার হয়ে গেছে। বিষয়টি জানার জন্য সাবরেজিস্টার অফিসারকে জিজ্ঞেস করি। তখন উনি বলেন জমির দলিল পার হইছে তাতে কি হইছে? তখন আমি বলি স্যার আপনি যে আমার কাছে ২ লক্ষ টাকা খাইলেন তাহলে ওর কাছে কতো লক্ষ টাকা খাইলেন? তখন উনি (সাবরেজিস্টার) বলেন খাইছি তার খাইছি তাতে কি হইছে?
এ বিষয়ে কথা হয় জমি গ্রহিতা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমানের সাথে। চরম ক্ষোভ জানিয়ে তিনি বলেন, গত ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে এ জমি দলিলের প্রসেস করি। পরে গত মাসের ৯ তারিখে দলিলটি সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ এ সময় ধরে আমার উপর অমানবিক নির্যাতন বহুবার চালিয়েছেন দলিল অফিস ও বাহিরের বিভিন্ন লোকজন। টাকাও নিয়েছেন তারা অনেক। কাউকে বলিনি। তবে সময় এসেছে সবার মুখ উন্মোচন করে দেয়ার।অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি বিউটি বেগমের জমি নেইনি। আর যদি নিয়ে থাকি প্রমান দিতে পারলে জমি আমি ফেরত দিবো তাকে।
‎এ বিষয়ে কথা হয় সাব রেজিস্ট্রার অফিসের পিয়ন আবদুস সালাম মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, বিউটি বেগমকে আমি চিনি। তবে তার কাছ থেকে আমি কোনো আংটি বা টাকা নেইনি।
‎এ বিষয়ে সাব রেজিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, কথিত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমাকে তিনি কোনো টাকা দেননি। আর আমার অফিসের সালাম মিয়ার বিরুদ্ধে যদি কারো কোনো অভিযোগ থাকে, লিখিতভাবে অভিযোগ দিবে। আমরা তদন্ত করে দেখবো। তদন্তে প্রমাণিত হলে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবো।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com