1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ চট্টগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ‍্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ কৃষি জমির মাটি কাটায় জরিমানা শ্যামনগরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, দোষ স্বীকারে লঘুদণ্ড

দোহারে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ-
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩৭৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার দোহার উপজেলার বাঁশতলা থেকে কার্তিকপুর প্রধান সড়কে রবিবার (২৭ আগষ্ট) দুপুরে দিন-দুপুরে প্রকাশ্য হাতি দিয়ে চলছে চাঁদাবাজি। টাকা না পাওয়া পর্যন্ত পথচারিসহ কোন প্রকার যানবাহনই ছাড় পাচ্ছেন না এ চাঁদাবাজির হাত থেকে। যেন দেখার বা ধরাছুয়ার কেউ নেই। এতে পথচারিসহ যানবাহনে চলাচলকারী শিশু ও বয়স্করা রয়েছেন চরম আতঙ্কে।

অটোচালক মোঃ লাভলু বলেন, দিনদুপুরে এভাবে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করছে। গাড়িতে থাকা শিশুসহ বয়স্করা ভয়ে আতকে উঠে। মাঝে মাঝেই দেখি এভাবে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করা হয় এই রাস্তায়। এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া অতি জুরুরি।

উল্লেখ, গত তিন মাস আগে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করার সময় টাকা না পাওয়ায় উপজেলার দোহার বাজারের মোড়ে এক বয়স্ক দম্পতিকে হাতি দিয়ে আক্রমন করে আহত করা হয়েছিল।

পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থা কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা করানো হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের জুরুরি ভাবে হস্তক্ষেপ কামনা করছেন পথচারীসহ যানবাহনের চালকরা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com