1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

ধর্মদহে জলাবদ্ধতা সাত বছরের পুরোনো সমস্যা সমাধানে নেই টেকসই উদ্যোগ

ইবনে জুবায়ের সানজিদ দৌলতপুর উপজেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
  • ৬১৪ বার পড়া হয়েছে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদহ গ্রামে জলাবদ্ধতা যেন নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। টানা সাত বছর ধরে গ্রামের প্রধান সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় জনজীবন হয়ে পড়েছে বিপর্যস্ত। বর্ষার মৌসুমে দুর্ভোগের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।আজ (১৪ জুন) সকালে তোলা ছবিতে দেখা যায়, একাধিক যাত্রী জলমগ্ন রাস্তায় মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করছেন। কোথাও-কোথাও কাদাজলে পায়ে হেঁটে চলাই অসম্ভব হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এত বছর পেরিয়ে গেলেও কর্তৃপক্ষ কোনো টেকসই পদক্ষেপ নেয়নি। পানি নিষ্কাশনের কোনো পরিকল্পিত ড্রেনেজ না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই জমে থাকে পানি—দিনের পর দিন। এর ফলে পরিবেশ দূষণ, মশার উপদ্রব এবং রোগবালাই বাড়ছে।
এলাকাবাসী জানান, রাস্তাটি শুধু উঁচু করলেই হবে না। আগে প্রয়োজন কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা, তা না হলে উঁচু রাস্তা থেকে পানি ঢুকে পড়বে পাশের বসতবাড়িতে, এবং সমস্যা আরও বাড়বে।একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমরা উন্নয়ন চাই, কিন্তু এমন উন্নয়ন নয় যাতে ভোগান্তি আরও বাড়ে। আগে ড্রেনেজ, তারপর রাস্তা সংস্কার।”স্থানীয়দের প্রশ্ন— “সাত বছর ধরে এমন সমস্যা চললেও কেন এখনো দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান নেওয়া হয়নি?” ধর্মদহের মানুষ চান—আপাত সমাধান নয়, এবার চাই স্থায়ী ও পরিকল্পিত উদ্যোগ।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com